০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

সাতকানিয়ায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পরিকল্পিত হামলা ও বসতঘরে ভাংচুর-লুটপাটের মূল ইন্ধন দাতা হিসেবে অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ধর্মপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস চৌধুরীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে ধর্মপূর ইউপির ৫ নং ওয়ার্ড চাঁদের পাড়া এলাকায় আকতার আহমদের বাড়ীতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় পরদিন শুক্রবার ভুক্তভোগী পরবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে অপরাধীদের বিচার দাবি করেন। পরিবারের পক্ষে আকতার আহমদের ভাই শাহআলম বলেন, সাবেক নৌকা প্রতীকের ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস চৌধুরীর ইন্ধনে একই এলাকার ফরিদ মিয়া, ভোলা চক্রবর্তী, আশিক, শহিদ উদ্দিন, সুমন, হানিফ, সাজ্জাদ, মামুন, আমির হোসেন, ফয়সাল, আব্দুল মান্নান, দেলোয়ার, ইফতেখার ও মিজান সহ আরো অন্তত ১৫-২০ জন অস্ত্রসহ দলবল নিয়ে পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেন। তারা আমাদের পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে আঘাত করেন। আমরা এ হামলার বিচার দাবি করছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শাহ আলম বলেন, মূলত আধিপত্য বিস্তারের জন্য আমাদের উপর হামলা করেছে। সে চেয়ারম্যান থাকাকালীনও একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। মূলত এলাকায় তার আধিপত্য বিস্তার ও আমাদের পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ইলিয়াস চেয়ারম্যান তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, আকতার আর ইলিয়াসের মধ্যে বর্তমানে যে দ্বন্দ্ব চলমান সেটি রাজনৈতিক। ধর্মপুরে পরবর্তী ইউপি নির্বাচনে দুজনেই প্রার্থীতা করবেন। এক্ষেত্রে পেশি শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মূলত প্রতিপক্ষকে কোনঠাসা করার চেষ্টার অংশই হলো এই হামলা।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কথা স্বীকার করে সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, আমি নির্বাচন করব ঠিকই কিন্তু আধিপত্য বিস্তার কেন করতে যাব? মূলত এঘটনার সাথে আমি কোনভাবেই সম্পৃক্ত নই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ধর্মপুরের ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কেরানীগঞ্জের গ্যাসলাইট কারখানায় আগুনে নিহত ৫

সাতকানিয়ায় বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার

প্রকাশিত : ০৫:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পরিকল্পিত হামলা ও বসতঘরে ভাংচুর-লুটপাটের মূল ইন্ধন দাতা হিসেবে অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ধর্মপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস চৌধুরীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে ধর্মপূর ইউপির ৫ নং ওয়ার্ড চাঁদের পাড়া এলাকায় আকতার আহমদের বাড়ীতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় পরদিন শুক্রবার ভুক্তভোগী পরবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করে অপরাধীদের বিচার দাবি করেন। পরিবারের পক্ষে আকতার আহমদের ভাই শাহআলম বলেন, সাবেক নৌকা প্রতীকের ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস চৌধুরীর ইন্ধনে একই এলাকার ফরিদ মিয়া, ভোলা চক্রবর্তী, আশিক, শহিদ উদ্দিন, সুমন, হানিফ, সাজ্জাদ, মামুন, আমির হোসেন, ফয়সাল, আব্দুল মান্নান, দেলোয়ার, ইফতেখার ও মিজান সহ আরো অন্তত ১৫-২০ জন অস্ত্রসহ দলবল নিয়ে পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেন। তারা আমাদের পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে আঘাত করেন। আমরা এ হামলার বিচার দাবি করছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শাহ আলম বলেন, মূলত আধিপত্য বিস্তারের জন্য আমাদের উপর হামলা করেছে। সে চেয়ারম্যান থাকাকালীনও একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। মূলত এলাকায় তার আধিপত্য বিস্তার ও আমাদের পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ইলিয়াস চেয়ারম্যান তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, আকতার আর ইলিয়াসের মধ্যে বর্তমানে যে দ্বন্দ্ব চলমান সেটি রাজনৈতিক। ধর্মপুরে পরবর্তী ইউপি নির্বাচনে দুজনেই প্রার্থীতা করবেন। এক্ষেত্রে পেশি শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মূলত প্রতিপক্ষকে কোনঠাসা করার চেষ্টার অংশই হলো এই হামলা।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কথা স্বীকার করে সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, আমি নির্বাচন করব ঠিকই কিন্তু আধিপত্য বিস্তার কেন করতে যাব? মূলত এঘটনার সাথে আমি কোনভাবেই সম্পৃক্ত নই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, ধর্মপুরের ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। প্রাথমিকভাবে এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./