গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল ঔষধ কারখানার কর্মচারী শফিকুল ওরফে বুলবুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে কালিয়াকৈর থানা।
গত ১৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে কালিয়াকৈর থানা সফিপুর আনসার একাডেমী সংলগ্ন এলাকায় ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল এর কর্মচারী সাফিকুল ওরফে বুলবুলকে অজ্ঞাতনামা আসামিরা হত্যা করে সফিপুর আনসার একাডেমির এক নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায় ।উক্ত ঘটনায় আফজাল হোসেন মাসুদ এবং রিপন নামক গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয় ।গ্রেপ্তারকৃত আফজাল হোসেন মাসুদের পিতার নাম-মোজাম্মেল হক, গ্রাম- রাখালিয়া চালা, অপর আসামি রিপনের পিতার নাম- আব্দুল জলিল গ্রাম- রাখালিয়াচালা
মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুল কালিয়াকৈর থানাধীন শফিপুরোস্ত ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস এ কর্মচারী ছিলেন গত ১৫ এপ্রিল দিবাগত রাত দশটার সময় মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুল সফিপুর করোনি গার্মেন্টসে চাকরিররত তার স্ত্রী ফরিদাকে আনার জন্য সফিপুর ফ্লাই ওভারের নিচে অপেক্ষা করতে থাকে। ধৃত আসামিসহ অন্যান্য আসামিরা অটো রিকশা যোগে মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুল এর কাছে এসে তার মোবাইল এবং পকেটে কি আছে বের করে দিতে বলেন, । মোবাইল এবং টাকা না দিলে টানা হেচরা করতে থাকে এক পর্যায়ে আসামিরা মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুলের বাম পায়ের উরুতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে মৃত ব্যক্তির মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় । মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুল শফিপুর আনসার একাডেমির দিকে দৌড় দিয়ে আনসার একাডেমির অদূরে ফুটপাতের খাদে পড়ে মৃত্যুবরণ করে। পরদিন ১৬ এপ্রিল সকাল ছয়টার দিকে স্থানীয় লোকজন এবং মৃতের স্ত্রী ফরিদা শফিকুল ইসলাম বুলবুলের মৃতদেহ দেখে শনাক্ত করে ।
মৃত শফিকুল ইসলাম বুলবুলের ছেলে শ্রাবণ বাদী হয়ে অজ্ঞতানামা আসামিদের বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।মামলা দায়ের হওয়ার পর অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম পিপিএম এর দিকনির্দেশনা এবং নেতৃত্বে এসআই জাহাঙ্গীর আলম -এসআই ইউসুফ- আলী এসআই- রেজাউল করিম এসআই- আলমগীর হোসেন গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করে এবং মৃত ব্যক্তির মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন। ধৃত আসামি দ্বয় কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেন । আসামিরা স্বেচ্ছায় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
ডিএস./




















