গত ৩ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ রাত্র আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকার সময় জিএমপি, গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন হিমারদিঘী পানির পাম্পের পার্শ্বে র্যাকেট খেলার মাঠে আসামী ইমরান কলা ইমরান,শাহিন ও সাখাওয়াতসহ আরো অজ্ঞাতনামা ২জন আসামী ভিকটিম শাহরিয়ার সাজ্জাত (২৮)কে ডেকে নিয়ে যায়।
আসামী ইমরান কলা ইমরান ধারালো চাকু দিয়ে ভিকটিম শাহরিয়ার সাজ্জাত (২৮)কে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে, পিঠে ও বুকে এলাপাথাড়ি আঘাত করে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। অন্যান্য আসামীরা তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলাপাথাড়ি আঘাতে জখম করে।
স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে আসামীরা ভিকটিমকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ভিকটিমের আত্মীয় স্বজন সংবাদ পেয়ে ঘটনালে আসে এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা সাজেদা হক নিজে বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে জিএমপি, গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনাটি মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামীদের গ্রেফতারের জন্য ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরধারী শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১ উত্তরা, ঢাকা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় ০১নং আসামি ইমরান ওরফে কলা ইমরান (৩৫) নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা এলাকায় অবস্থান করছে।
উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ ৫.ঘটিকার সময় র্যাব-১, উত্তরা, ঢাকা এবং র্যাব-১১, সিপিএসসি নরসিংদী এর যৌথ আভিযানিক দল নরসিংদী জেলার শিবপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আসামি ইমরান ওরফে কলা ইমরান (৩৫)কে নরসিংদী জেলার শিবপুর থানাধীন সিয়াম সুপার মার্কেট এর সামনে হতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। গগ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে ডিএমপির তুরাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিএস./



















