০৮:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে ৪৩১৫ কোটি টাকার চুক্তি

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষার মান ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫২ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪ হাজার ৩১৫ কোটি টাকার সমান।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সোমবার বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম এবং বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকার চুক্তিতে সই করেন।

‘ট্রান্সফারমিং সেকেন্ডারি এডুকেশন ফর রেজাল্ট অপারেশন (টিএসইআরও) প্রকল্পের আওতায় ৫১ কোটি ডলার ঋণচুক্তি সই হয়েছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটির আওতায় ১ কোটি ডলার অনুদানের চুক্তি সই হয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সরকারি ও উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে বিচ্ছিন্নভাবে আর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। টেকসই ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে।

রাজশ্রী পারালকার বলেন, শিক্ষার জন্য এটা একটি সমন্বিত প্রকল্প। আশা করছি ১৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিগত কয়েক বছরে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। দেশের উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে তরুণ সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে। তরুণের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক সঙ্গী হতে পেরে ধন্য।

প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকের ঋণ ছয় বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এই সহজ শর্তে ঋণের উপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে ৪৩১৫ কোটি টাকার চুক্তি

প্রকাশিত : ০৬:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৮

দেশের মাধ্যমিক শিক্ষার মান ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫২ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪ হাজার ৩১৫ কোটি টাকার সমান।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সোমবার বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম এবং বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকার চুক্তিতে সই করেন।

‘ট্রান্সফারমিং সেকেন্ডারি এডুকেশন ফর রেজাল্ট অপারেশন (টিএসইআরও) প্রকল্পের আওতায় ৫১ কোটি ডলার ঋণচুক্তি সই হয়েছে। অন্যদিকে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটির আওতায় ১ কোটি ডলার অনুদানের চুক্তি সই হয়েছে।

মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সরকারি ও উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে বিচ্ছিন্নভাবে আর প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। টেকসই ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমন্বিত প্রকল্প হাতে নিচ্ছে।

রাজশ্রী পারালকার বলেন, শিক্ষার জন্য এটা একটি সমন্বিত প্রকল্প। আশা করছি ১৩ মিলিয়ন শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিগত কয়েক বছরে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। দেশের উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে তরুণ সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে। তরুণের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক সঙ্গী হতে পেরে ধন্য।

প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকের ঋণ ছয় বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এই সহজ শর্তে ঋণের উপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।