১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শহিদুলের জামিন শুনানি ১১ সেপ্টেম্বর

রাজধানীর রমনা থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের জামিন নাকচের বিরুদ্ধে শহিদুল আলমের আইনজীবীরা এ আবেদন করেন।

এরও আগে, গত ১২ আগস্ট রিমান্ড শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী দরখাস্তকারী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাকিম আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে জজ আদালতে আবেদন করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের বিষয়ে কথা বলে কয়েকবার ফেইসবুক লাইভে আসেন দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম। এছাড়া ওই আন্দোলনের বিষয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

শহিদুলের জামিন শুনানি ১১ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত : ০৬:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮

রাজধানীর রমনা থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের জামিন নাকচের বিরুদ্ধে শহিদুল আলমের আইনজীবীরা এ আবেদন করেন।

এরও আগে, গত ১২ আগস্ট রিমান্ড শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী দরখাস্তকারী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাকিম আদালতের ওই আদেশের বিরুদ্ধে জজ আদালতে আবেদন করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে রাজধানীর জিগাতলা এলাকায় সংঘর্ষের বিষয়ে কথা বলে কয়েকবার ফেইসবুক লাইভে আসেন দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম। এছাড়া ওই আন্দোলনের বিষয়ে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।