০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুরে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে দিনাজপুরে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট-২০২৬ সকালে দিনাজপুর জিলা স্কুল হতে র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লিলি মোড় হয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর বিপুলসংখ্যক ক্যাডেটসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর পৌর প্রশাসক ও উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, দিনাজপুর মোঃ শেখ হাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড এস্টেট) সুমন রঞ্জন সরকার।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখি। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করাই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোথাও জমে থাকা পানি দেখা গেলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। প্রত্যেকে নিজের বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”

র‍্যালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি অপসারণ, বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে লেখা ছিল—“ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান”।

কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিএনসিসি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে এডিস মশার বিস্তার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কর্মসূচির ব্যবস্থাপনায় ছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়, দিনাজপুর এবং আয়োজনে ছিল ৩৪ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন, মহাস্থান রেজিমেন্ট।

ডিএস./

ট্যাগ :

আশুগঞ্জে মিত্রবাহিনীর স্মরণে মৈত্রীস্তম্ভের উদ্বোধন

দিনাজপুরে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান

প্রকাশিত : ০৪:২৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে দিনাজপুরে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট-২০২৬ সকালে দিনাজপুর জিলা স্কুল হতে র‍্যালিটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লিলি মোড় হয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর বিপুলসংখ্যক ক্যাডেটসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর পৌর প্রশাসক ও উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, দিনাজপুর মোঃ শেখ হাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড এস্টেট) সুমন রঞ্জন সরকার।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোঃ গোলাম রসুল রাখি। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করাই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোথাও জমে থাকা পানি দেখা গেলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ। প্রত্যেকে নিজের বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”

র‍্যালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমে থাকা পানি অপসারণ, বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়। কর্মসূচির ব্যানারে লেখা ছিল—“ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান”।

কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিএনসিসি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আয়োজকরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে এডিস মশার বিস্তার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কর্মসূচির ব্যবস্থাপনায় ছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়, দিনাজপুর এবং আয়োজনে ছিল ৩৪ বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন, মহাস্থান রেজিমেন্ট।

ডিএস./