পায়রা একহাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগুচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। প্রথম ইউনিটের সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটের কনক্রিটিং, কুলিং টাওয়ার, চিমনি, জেটি নির্মাণসহ অন্য সব অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বয়লার হাউজের মূল ইস্পাত কাঠামোর ৮৬ মিটারের মধ্যে ৮৪ দশমিক ৫ মিটারের কাজ শেষ হয়েছে।
এ ব্যাপারে ‘বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’-এর (বিসিপিসিএল) সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমার প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট মিলিয়ে একসঙ্গে হিসাব করি। এতে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫০ ভাগের মতো। আর এককভাবে প্রথম ইউনিটের হিসাব করলে দেখা যাবে অগ্রগতি ৭০ ভাগের কাছাকাছি।
৮৬ মিটারের মূল বয়লার হাউজের মধ্যে ৮৪ শমিক ৫ মিটারের কাজ শেষ হয়েছে। ছয়টা কোল ইয়ার্ডের মধ্যে প্রথম ইউনিটের সঙ্গে চারটির কাজ শেষ করা হবে। এরইমধ্যে একটির কাজ শিগগিরই শেষ হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কুলিং টাওয়ারের পাইলিং শেষ হয়েছে।
নদী থেকে পানি আনার জন্য পাইপ লাইন বসানো হয়ে গেছে। এখন পাম্প বসানোর কাজ চলছে। চলছে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য স্থায়ী জেটি নির্মাণের কাজ। যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা খালাস হবে।
আগামীবছরের এপ্রিলের মধ্যে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি উৎপাদনে আসতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পায়রায় আরও একটি একহাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে। এছাড়া জার্মানির সিমেন্সের সঙ্গে এনডব্লিউপিজিসিএল আরও ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে।
এখানে ১০০ মেগাওয়াটের সৌর ও ৫০ মেগাওয়াটের বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলেয়ে ৬ হাজার ৩৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এই এলাকা থেকে।
উল্লেখ্য, চীনের আর্থিক সহায়তায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। চীনের এক্সিম ব্যাংক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ঋণ দিয়েছে। তবে চীন ও ইউরোপীয় বিনিয়োগ মিলিয়ে পায়রায় মোট ৯৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে।
























