১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের দুই আসামির মামলার রায় যে কোনও দিন

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হবিগঞ্জের লাখাই থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ও আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় যে কোনও দিন ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) আইসিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে, আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম।

পরে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, ‘মামলায় দুই আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি চেয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করা হয়েছে। আদালত যেকোনও দিন রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি সিএভি রেখেছেন।’ প্রসঙ্গত, ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লিয়াকত আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকা অবস্থাতেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার দুই আসামির বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট সাতটি অভিযোগ রয়েছে। পরে ২০১৬ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

হবিগঞ্জের দুই আসামির মামলার রায় যে কোনও দিন

প্রকাশিত : ০৬:৫৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হবিগঞ্জের লাখাই থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ও আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় যে কোনও দিন ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) আইসিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। অন্যদিকে, আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট গাজী এম এইচ তামিম।

পরে প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, ‘মামলায় দুই আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি চেয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করা হয়েছে। আদালত যেকোনও দিন রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি সিএভি রেখেছেন।’ প্রসঙ্গত, ২০০৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত লিয়াকত আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। সভাপতি থাকা অবস্থাতেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার দুই আসামির বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট সাতটি অভিযোগ রয়েছে। পরে ২০১৬ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছেন।