০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

নির্বাচনে বিপুল অর্থ ঢেলে ব্যর্থ হয়ে ইলন মাস্কের উপহাস

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয়ী করতে পানির মতো অর্থ ঢেলে শেষ পর্যন্ত বড় ধাক্কা খেলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ওপেন সিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে প্রায় ৪৫৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিলেন তিনি।

বিশেষ করে টেক্সাসের অত্যন্ত আলোচিত সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের প্রচারণায় একাই ২০০ মিলিয়নের বেশি ডলার ঢেলেছিলেন মাস্ক। অথচ সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস ট্যালারিকোর কাছে শোচনীয়ভাবে হেরে যান প্যাক্সটন। কিছুদিন আগেই মাস্ক তার বাসস্থান ও ব্যবসায়িক স্বার্থ এই টেক্সাস রাজ্যে স্থানান্তরিত করেছিলেন।

বিজয়ী হওয়ার পর দেওয়া ভাষণে জেমস ট্যালারিকো ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা এই রাজ্য ও দেশের প্রতিটি বিলিয়নিয়ার, ট্রিলিয়নিয়ার এবং এই দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার রক্ষকদের পরিষ্কার বার্তা দিয়েছি যে—ক্ষমতা কেবল জনগণের।”

নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে মাস্কের এমন রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগও শেষ পর্যন্ত কাজে লাগেনি। ভোটযুদ্ধের ফল প্রকাশের পর বেশ কিছুদিন নীরব থাকার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেন মাস্ক। সেখানে তিনি লেখেন, “মনে হচ্ছে নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী আমার স্পেশ লেজারগুলো এবার আর কাজ করেনি।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফল মার্কিন রাজনীতিতে মাস্কের রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে ভোটারদের রায় প্রভাবিত করার কৌশলের বড় ধরনের সীমাবদ্ধতাকেই উন্মোচন করেছে।

সূত্র: এএফপি, বিবিসি।

 

_Rs_

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জয়পুরহাটে সড়কে কিশোরের মৃত্যু, অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুরে যান চলাচল বন্ধ

নির্বাচনে বিপুল অর্থ ঢেলে ব্যর্থ হয়ে ইলন মাস্কের উপহাস

প্রকাশিত : ০২:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয়ী করতে পানির মতো অর্থ ঢেলে শেষ পর্যন্ত বড় ধাক্কা খেলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ওপেন সিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে প্রায় ৪৫৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিলেন তিনি।

বিশেষ করে টেক্সাসের অত্যন্ত আলোচিত সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের প্রচারণায় একাই ২০০ মিলিয়নের বেশি ডলার ঢেলেছিলেন মাস্ক। অথচ সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস ট্যালারিকোর কাছে শোচনীয়ভাবে হেরে যান প্যাক্সটন। কিছুদিন আগেই মাস্ক তার বাসস্থান ও ব্যবসায়িক স্বার্থ এই টেক্সাস রাজ্যে স্থানান্তরিত করেছিলেন।

বিজয়ী হওয়ার পর দেওয়া ভাষণে জেমস ট্যালারিকো ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা এই রাজ্য ও দেশের প্রতিটি বিলিয়নিয়ার, ট্রিলিয়নিয়ার এবং এই দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার রক্ষকদের পরিষ্কার বার্তা দিয়েছি যে—ক্ষমতা কেবল জনগণের।”

নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে মাস্কের এমন রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগও শেষ পর্যন্ত কাজে লাগেনি। ভোটযুদ্ধের ফল প্রকাশের পর বেশ কিছুদিন নীরব থাকার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেন মাস্ক। সেখানে তিনি লেখেন, “মনে হচ্ছে নির্বাচনে হস্তক্ষেপকারী আমার স্পেশ লেজারগুলো এবার আর কাজ করেনি।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফল মার্কিন রাজনীতিতে মাস্কের রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে ভোটারদের রায় প্রভাবিত করার কৌশলের বড় ধরনের সীমাবদ্ধতাকেই উন্মোচন করেছে।

সূত্র: এএফপি, বিবিসি।

 

_Rs_