শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত বিশ্বের অন্তর্ভূক্ত হতে যাচ্ছি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাই সেই লক্ষ্য পূরণে নেতৃত্ব দেবে। শিক্ষার্থীরাই ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করবে।
শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘৭ মার্চ’ ভবন উদ্বোধনের পর শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যেকোনো প্রস্তবনা নিয়ে গেলেই প্রধানমন্ত্রী রাজি হয়ে যান। এ কারণে গত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব হয়েছে। দশটি প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো সুবিধাসহ বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করে শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষার পরিসর বাড়ানো হয়েছে। আটটি প্রকল্পের কাজ শেষ ও দুটির কাজ এখনো চলছে।’
তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা পড়েছেন, প্রধানমন্ত্রীও পড়েছেন। তাই আমি নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করি।
রোকেয়া হলের নতুন ‘৭ মার্চ’ ভবন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি প্রতীকী নাম। ৭ মার্চ আমাদের জাতির জীবনে গৌরবময় অধ্যায়। সেদিন জাতির পিতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেটাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা ও দিকনির্দেশনা ছিল। জাতির মুক্তির জন্য এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ঢাবি উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. একে এম গোলাম রব্বানী প্রমুখ।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই : ৬ মাসের জেল পিকের
স্পোর্টস ডেস্ক
ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এটি। শুধু বাংলাদেশ কেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স যেন- আলোচিত ইস্যু এখন সব জায়গায়। এই যেমন ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে ৬ মাসের জেল-জরিমানার মুখোমুখি বার্সেলোনার বিখ্যাত ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে।
শুক্রবার দুপুরের পর গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হন পিকে। ভাগ্য খারাপ হলে আর যা হয়, আরকি! পিকে পড়ে গেছেন ট্রাফিক পুলিশের রুটিন চেকের সামনে। পুলিশ গাড়ি থামিয়ে কাগজ-পত্র দেখাতে বলেন। সেখানেই দেখা গেলো, লাইসেন্সই নেই পিকের। আর যায় কোথায়! মামলা ঠুকে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ।
স্পেনের আইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স যার থাকবে, তাকে দেয়া হয় ১২ পয়েন্ট। যদি ১২’র নিচে পয়েন্ট নেমে আসে, তাহলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। যদি পয়েন্ট পুরোপুরি শূন্য হয়ে যায়, তাহলে কোনো ড্রাইভারকে রাস্তায়ই নামতে দেয় না পুলিশ। যতক্ষণ পর্যন্ত না ট্রাফিক হেডকোয়ার্টারে ২৪ ঘণ্টার একটি পরীক্ষা না দেবে এবং সেখানে পাশ করে না আসবে।
স্পেনের রেডিও স্টেশন ক্যাডেনা সার তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ট্রাফিক অফিসাররা পিকের কাগজপত্র চেক করে দেখেন যে কোনো পয়েন্টই নেই পিকের। স্পেনে এটা মারাত্মক ক্রিমিনাল অপরাধ। দেশটির আইনে বলা আছে, এই অপরাধের জন্য অন্তত ৬ মাসের জেল কিংবা ৫৩৭০ পাউন্ড (প্রায় ৬ লাখ টাকা) জরিমানা দিতে হবে।
রাস্তায় ড্রাইভিং করতে নেমে অপরাধ ঘটানোর ক্ষেত্রে পিকের নাম এসেছে বেশ কয়েকবার। গত বছরও গতিসীমা ভাঙার অপরাধে শাস্তির মুখোমুখি হন পিকে। ২০১৪ সালে এক ট্রাফিক অফিসারের সঙ্গে বিবাধে জড়িয়ে ৯৪০০ পাউন্ড (প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা) জরিমানা দিয়েছিলেন তিনি। এর তিন বছর আগেও আরও একটি অপরাধে শাস্তি পেয়েছিলেন পিকে।

























