০১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে আটক রয়টার্সের ২ সাংবাদিকের ৭ বছরের জেল

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে আটক হওয়া রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনের মামলায় দু’জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

ওয়া লোন এবং কিয়াও সোয়ে ও নামের ওই দুই সাংবাদিক গতবছর পুলিশের কাছ থেকে নথি পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রেফতার হন। তারা দু’জনই মিয়ানমারের নাগরিক।

ইয়াংগুন শহরের উপকণ্ঠে পুলিশের নিমন্ত্রণে রাতের খাবার আয়োজন করে তাদের ডেকে নেয়া হয়। এরপর তাদের আটক করা হয়। মিয়ানমারে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড।

এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলে বিষয়টা মিয়ানমারের গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

শুরু থেকেই এ দুই সাংবাদিক বলে আসছেন তাদের ফাঁদে ফেলা হয়েছে।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় রয়টার্সের এডিটর-ইন-চিফ স্টিফেন জে অ্যাডলার বলেন, মিয়ানমার, রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়ালোন ও কিয়াউ সোয়ে এবং যেকোনো স্থানের সংবাদমাধ্যমের জন্য এটা দুঃখের দিন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরু হওয়ার প্রায় এক বছর পর এ রায় এলো।

রাখাইনে গণমাধ্যমের কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। এ কারণে ওই অঞ্চল থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া কষ্টসাধ্য।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

মিয়ানমারে আটক রয়টার্সের ২ সাংবাদিকের ৭ বছরের জেল

প্রকাশিত : ১১:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহের সময় দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে আটক হওয়া রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনের মামলায় দু’জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

ওয়া লোন এবং কিয়াও সোয়ে ও নামের ওই দুই সাংবাদিক গতবছর পুলিশের কাছ থেকে নথি পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রেফতার হন। তারা দু’জনই মিয়ানমারের নাগরিক।

ইয়াংগুন শহরের উপকণ্ঠে পুলিশের নিমন্ত্রণে রাতের খাবার আয়োজন করে তাদের ডেকে নেয়া হয়। এরপর তাদের আটক করা হয়। মিয়ানমারে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড।

এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলে বিষয়টা মিয়ানমারের গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

শুরু থেকেই এ দুই সাংবাদিক বলে আসছেন তাদের ফাঁদে ফেলা হয়েছে।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় রয়টার্সের এডিটর-ইন-চিফ স্টিফেন জে অ্যাডলার বলেন, মিয়ানমার, রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়ালোন ও কিয়াউ সোয়ে এবং যেকোনো স্থানের সংবাদমাধ্যমের জন্য এটা দুঃখের দিন।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরু হওয়ার প্রায় এক বছর পর এ রায় এলো।

রাখাইনে গণমাধ্যমের কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। এ কারণে ওই অঞ্চল থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া কষ্টসাধ্য।