১২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

হাতিরঝিলে নকশাবহির্ভূত স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের নকশাবহির্ভূত সব স্থাপনা আগামী সাতদিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসাথে এসব অবৈধ স্থাপনার নির্মাণ বন্ধে এবং লে-আউট প্ল্যান অনুসারে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রজেক্টকে রক্ষার জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।

এ এলাকায় পরিকল্পনা বহির্ভূত কোনো স্থাপনা না বসানোর বিষয়টি রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, হাতিরঝিল থানার ওসি ও প্রজেক্ট পরিচালককে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এছাড়া আদালতের এ আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

‘নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় রাউজক’ শিরোনামে ১ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রবিবার রিটটি করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে মনজিল মোরসেদ বলেন, নকশাবহির্ভূতভাবে ওই প্রকল্পে কোনো স্থাপনা যাতে কেউ নির্মাণ করতে না পারে, সে জন্য প্রতিনিয়ত তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ওই প্রকল্পের লে-আউটবহির্ভূত স্থাপনা সাতদিনের মধ্যে ভেঙে অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

শুনানিকালে তিনি আদালতকে বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সরকার হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করায় জায়গাটি ঢাকার অন্যতম নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সেখানে ভ্রমণে যান। কিন্তু রাজউক নিষ্ক্রীয় থাকায় সেখানে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

হাতিরঝিলে নকশাবহির্ভূত স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

প্রকাশিত : ০৩:২৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রাজধানীর হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রকল্পের নকশাবহির্ভূত সব স্থাপনা আগামী সাতদিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসাথে এসব অবৈধ স্থাপনার নির্মাণ বন্ধে এবং লে-আউট প্ল্যান অনুসারে হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রজেক্টকে রক্ষার জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।

এ এলাকায় পরিকল্পনা বহির্ভূত কোনো স্থাপনা না বসানোর বিষয়টি রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, হাতিরঝিল থানার ওসি ও প্রজেক্ট পরিচালককে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এছাড়া আদালতের এ আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

‘নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় রাউজক’ শিরোনামে ১ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে রবিবার রিটটি করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে মনজিল মোরসেদ বলেন, নকশাবহির্ভূতভাবে ওই প্রকল্পে কোনো স্থাপনা যাতে কেউ নির্মাণ করতে না পারে, সে জন্য প্রতিনিয়ত তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া ওই প্রকল্পের লে-আউটবহির্ভূত স্থাপনা সাতদিনের মধ্যে ভেঙে অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

শুনানিকালে তিনি আদালতকে বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সরকার হাতিরঝিল-বেগুনবাড়ি প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করায় জায়গাটি ঢাকার অন্যতম নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সেখানে ভ্রমণে যান। কিন্তু রাজউক নিষ্ক্রীয় থাকায় সেখানে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।