০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: প্রধানমন্ত্রী

আগামীতে ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পর রাজশাহী ও চট্টগ্রামেও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী ও চট্টগ্রামেও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এভাবে সারাদেশের সব বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দেবো।

এর আগে, সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে প্রতিষ্ঠিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের পেছনে নিজস্ব ৩ দশমিক ৮২ একর জমিতে দেশের প্রথম এ সেন্টার বেইজড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ হচ্ছে। অত্যাধুনিক এ হাসপাতালে মোট ১১টি সেন্টার থাকবে। ২০২১ সালে ১৩তলা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে এক ছাদের নিচেই সবধরনের স্বাস্থ্য সেবা মিলবে।

সেগুলো হলো- কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাসকুলার সেন্টার, স্পেশালাইজড অটিজম সেন্টারসহ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কিডনি অ্যান্ড ইউরোলজি, এক্সিডেন্টাল ইর্মাজেন্সি, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, অনকোলজি, রেসপিরেটরি মেডিসিন।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় বিএসএমএমইউ -এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পটির অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ই.ডি.সি.এফ এর অর্থায়নে এ বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরীয় সরকারের ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড থেকে প্রায় ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। যা দশমিক শূন্য ১ শতাংশ সুদে ৪০ বছরের মধ্যে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রথম ১৫ বছর ঋণের কোনো টাকা পরিশোধ না করে পরবর্তী ২৫ বছরে তা পরিশোধ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:২২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আগামীতে ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পর রাজশাহী ও চট্টগ্রামেও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী ও চট্টগ্রামেও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এভাবে সারাদেশের সব বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দেবো।

এর আগে, সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে প্রতিষ্ঠিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের পেছনে নিজস্ব ৩ দশমিক ৮২ একর জমিতে দেশের প্রথম এ সেন্টার বেইজড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ হচ্ছে। অত্যাধুনিক এ হাসপাতালে মোট ১১টি সেন্টার থাকবে। ২০২১ সালে ১৩তলা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে এক ছাদের নিচেই সবধরনের স্বাস্থ্য সেবা মিলবে।

সেগুলো হলো- কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাসকুলার সেন্টার, স্পেশালাইজড অটিজম সেন্টারসহ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কিডনি অ্যান্ড ইউরোলজি, এক্সিডেন্টাল ইর্মাজেন্সি, মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার, অনকোলজি, রেসপিরেটরি মেডিসিন।

২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় বিএসএমএমইউ -এর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল প্রকল্পটির অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ই.ডি.সি.এফ এর অর্থায়নে এ বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরীয় সরকারের ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড থেকে প্রায় ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। যা দশমিক শূন্য ১ শতাংশ সুদে ৪০ বছরের মধ্যে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রথম ১৫ বছর ঋণের কোনো টাকা পরিশোধ না করে পরবর্তী ২৫ বছরে তা পরিশোধ করা হবে।