০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষমতায় এসেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতি করতে নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা যখনই ক্ষমতায় আসি তখন মানুষের উন্নয়নের দিকে নজর দেই। আমরা কোথায় ছিলাম, কী অবস্থায় ছিলাম, সেটা এ প্রজন্ম জানে না। আজ আমরা বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে সারা বিশ্বে শীর্ষ তালিকায় আছি। মাছ থেকে শুরু করে ধান-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের কোথাও তৃতীয়, কোথাও চতুর্থ-পঞ্চম অবস্থান এখনও আমাদের। গেল নয় বছরে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়ে দেশকে এ অবস্থায় নেয়া হয়েছে।

ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) শনিবার তিন দিনব্যাপী ২২তম জাতীয় সম্মেলন এ কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, কি পেলাম, না পেলাম সে চিন্তা না করে আগে দেশকে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের আগামী দিনের প্রজন্ম যেনো সুন্দর জীবন পায় সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশ যতো এগিয়ে যাবে, যত উন্নত হবে, তত বেশি সুফল ভোগ করা যাবে। তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমি আহ্বান জানাবো, অনেক বছর আমাদের নষ্ট হয়ে গেছে। পঁচাত্তর থেকে ’৯৬ সাল- ২১ বছর হারিয়ে গেছে। এই ২১ বছর প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। উন্নতি হয়েছে ক্ষমতাসীন যারা ছিলো তাদের, মুষ্টিমেয় কিছু গোষ্ঠীর। বৃহৎ জনগোষ্ঠী বঞ্চিত ছিলো।

তিনি আরো বলেন, এই বঞ্চিত মানুষকে মুক্তি দেয়াই আমি মনে করি আমার কাজ। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। কারণ মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন এবং গুণগত মান বজায় রাখার দায়িত্ব তাদের উপরই বর্তায়। রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঘর-বাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনা, মিল-কারখানা নির্মাণ ও স্থাপনের দায়িত্ব প্রকৌশলীদের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ছোট্ট এ দেশে প্রায় ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হলে আমাদের সম্পদের সুষ্ঠু এবং টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে।

মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো সরকার কোনো দেশে ১২৩ ভাগ বেতন বাড়াতে পারে কিনা আমার জানা নেই। আমরা তা করেছি। অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যার সুফল বাংলাদেশ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, সাধারণত বর্ষাকালে বাংলাদেশে সব জিনিসের দাম বাড়ে। কিন্তু এবার দাম বাড়েনি। দেশে মুদ্রাস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে আছে। নয় বছর কাজ করে বাংলাদেশকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের সেভাবেই এগিয়ে যেতে হবে।

ঢাকাকে আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেছেন, পুরো ঢাকাজুড়ে আমরা সার্কুলার রোড করবো, এই সার্কুলার রোড হবে মাটিতে নয় আকাশজুড়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেস হবে। ঢাকা অত্যাধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে।

দেশজুড়ে টেকনিক্যাল শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় ৫০০ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইউনিভার্সিটি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অনলাইনে ভর্তি পদ্ধতির পাশাপাশি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে ডাবল শিফট চালু করা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষাখাতে উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ক্যাপাসিটি ২৫ হাজারের স্থলে ১ লাখে উন্নীত করার জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একটি করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ, ওয়ার্কশপ-ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং শিক্ষক-কর্মচারির প্রায় ৭ হাজার পদ সৃষ্টির জন্য ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এছাড়া চারটি সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ও ২৩টি বিশ্বমানের নতুন পলিটেকনিক স্থাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০টির কাজ শুরু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরীর পাশাপাশি গ্রামগুলোকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, দক্ষ মানবসম্পদের চেয়ে কোনো সম্পদই বড় নয়। আমরা এজন্য জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

প্রকৌশলীদের চাকরিতে যোগদানের সময়সহ তিনটি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট দেয়ার দাবির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

দুর্নীতি নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষমতায় এসেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতি করতে নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা যখনই ক্ষমতায় আসি তখন মানুষের উন্নয়নের দিকে নজর দেই। আমরা কোথায় ছিলাম, কী অবস্থায় ছিলাম, সেটা এ প্রজন্ম জানে না। আজ আমরা বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে সারা বিশ্বে শীর্ষ তালিকায় আছি। মাছ থেকে শুরু করে ধান-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের কোথাও তৃতীয়, কোথাও চতুর্থ-পঞ্চম অবস্থান এখনও আমাদের। গেল নয় বছরে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়ে দেশকে এ অবস্থায় নেয়া হয়েছে।

ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) শনিবার তিন দিনব্যাপী ২২তম জাতীয় সম্মেলন এ কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, কি পেলাম, না পেলাম সে চিন্তা না করে আগে দেশকে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের আগামী দিনের প্রজন্ম যেনো সুন্দর জীবন পায় সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশ যতো এগিয়ে যাবে, যত উন্নত হবে, তত বেশি সুফল ভোগ করা যাবে। তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমি আহ্বান জানাবো, অনেক বছর আমাদের নষ্ট হয়ে গেছে। পঁচাত্তর থেকে ’৯৬ সাল- ২১ বছর হারিয়ে গেছে। এই ২১ বছর প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। উন্নতি হয়েছে ক্ষমতাসীন যারা ছিলো তাদের, মুষ্টিমেয় কিছু গোষ্ঠীর। বৃহৎ জনগোষ্ঠী বঞ্চিত ছিলো।

তিনি আরো বলেন, এই বঞ্চিত মানুষকে মুক্তি দেয়াই আমি মনে করি আমার কাজ। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। কারণ মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন এবং গুণগত মান বজায় রাখার দায়িত্ব তাদের উপরই বর্তায়। রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঘর-বাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনা, মিল-কারখানা নির্মাণ ও স্থাপনের দায়িত্ব প্রকৌশলীদের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। ছোট্ট এ দেশে প্রায় ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে হলে আমাদের সম্পদের সুষ্ঠু এবং টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে।

মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো সরকার কোনো দেশে ১২৩ ভাগ বেতন বাড়াতে পারে কিনা আমার জানা নেই। আমরা তা করেছি। অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছি, যার সুফল বাংলাদেশ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, সাধারণত বর্ষাকালে বাংলাদেশে সব জিনিসের দাম বাড়ে। কিন্তু এবার দাম বাড়েনি। দেশে মুদ্রাস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে আছে। নয় বছর কাজ করে বাংলাদেশকে আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের সেভাবেই এগিয়ে যেতে হবে।

ঢাকাকে আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেছেন, পুরো ঢাকাজুড়ে আমরা সার্কুলার রোড করবো, এই সার্কুলার রোড হবে মাটিতে নয় আকাশজুড়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেস হবে। ঢাকা অত্যাধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে।

দেশজুড়ে টেকনিক্যাল শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে দেশব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় ৫০০ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইউনিভার্সিটি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অনলাইনে ভর্তি পদ্ধতির পাশাপাশি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে ডাবল শিফট চালু করা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষাখাতে উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ক্যাপাসিটি ২৫ হাজারের স্থলে ১ লাখে উন্নীত করার জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। সরকারি ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একটি করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ, ওয়ার্কশপ-ল্যাব প্রতিষ্ঠা ও যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং শিক্ষক-কর্মচারির প্রায় ৭ হাজার পদ সৃষ্টির জন্য ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এছাড়া চারটি সরকারি মহিলা পলিটেকনিক ও ২৩টি বিশ্বমানের নতুন পলিটেকনিক স্থাপনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০০টির কাজ শুরু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরীর পাশাপাশি গ্রামগুলোকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, দক্ষ মানবসম্পদের চেয়ে কোনো সম্পদই বড় নয়। আমরা এজন্য জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

প্রকৌশলীদের চাকরিতে যোগদানের সময়সহ তিনটি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট দেয়ার দাবির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান।