বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের যাত্রা ১৯৯৭ সালে। আগামী ১ অক্টোবর শুরু হবে টুর্নামেন্টটির পঞ্চম আসর। ২১ বছরে অনুষ্ঠিত হলো মাত্র ৫টি টুর্নামেন্ট। বড় গ্যাপ ছিল দ্বিতীয় ও তৃতীয় আসরের মাঝে, ১৬ বছর। কাজী মো. সালাউদ্দিন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ নিয়মিত করতে না পারলেও গ্যাপ কমিয়ে এনেছেন অনেক। এ নিয়ে তার সময়ে তৃতীয়বার হতে যাচ্ছে জাতির জনকের নামের এ টুর্নামেন্ট। সময়ের হিসেবে চার বছরে তিনটি।
শনিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিবছরই হবে এই টুর্নামেন্ট। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ রেখেই তৈরি করা হবে প্রতি বছরের ক্যালেন্ডার।
যদিও ফিফা ও এএফসির টুর্নামেন্টগুলোর চাপ থাকায় এখন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের সময় বের করা কঠিন। ‘আগে ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড নিয়মিত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট করতো। এখন সময় বের করতে পারে না কেউ। আমরা গর্ব করতে পারি, ফিফা ও এএফসির ব্যস্ত সূচির মাঝেও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ করতে পারছি। এখন থেকে প্রতি বছরই হবে এ টুর্নামেন্ট।’
কেবল প্রতিবছর টুর্নামেন্ট আয়োজনই নয়, জাতির জনকের নামের এ আয়োজন যেন আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জন করে সে চেষ্টার কথাও বলেছেন বাফুফে সভাপতি, ‘আমাদের লক্ষ্য বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপকে এশিয়ার অন্যতম সেরা টুর্নামেন্টে রূপ দেয়া। আশা করি, সবার সহযোগিতা নিয়ে সেটা করতে পারবো।’
শুরুর দিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দলগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তবে এবার ৬ দেশের জাতীয় দল নিয়েই হতে যাচ্ছে এ টুর্নামেন্ট। এবার দল পছন্দের ক্ষেত্রে বাফুফে এশিয়ার সব অঞ্চলের প্রতিনিধি রাখার চেষ্টা করেছে। যে কারণে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশ মাত্র দুটি। আয়োজক বাংলাদেশ ও গত আসরের চ্যাম্পিয়ন নেপাল ছাড়া বাকি দেশগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের।













