০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমাদের সফলতা আছে: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের যথেষ্ট আন্তরিকতা আছে।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমাদের সফলতা আছে, আমাদের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু আন্তরিকতায় কোনো ঘাটতি ছিল না।

ডিএমপি কমিশনার আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেল ক্রসিংয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মীর রেজাউল আলমসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও আইন না মানার প্রবণতার ফলে সব চেষ্টা বিফলে যাচ্ছে। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আইন না মানার মানসিকতা।

তিনি বলেন, মানুষকে জোর করেও আইন মানতে বাধ্য করা যাচ্ছে না। এটা কেন? বিদেশে যখন যাই, আমরা আইন মানি। তাহলে ঢাকার সড়কে বেরিয়ে আমরা আইন মানি না কেন?’

কমিশনার বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমাদের সঙ্গে রেড ক্রিসেন্ট, রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, গার্লস গাইডসহ বিভিন্ন সংগঠন কাজ করেছে। সরকারের অন্যান্য সংস্থা, যেমন: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশনও কাজ করেছে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সড়কের বিশৃঙ্খলা দূর করতে আন্দোলন করেছিল আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। তাদের দেখানো পথ অনুসরণে আমরা প্রথমে ১০ দিন ব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছিলাম। পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ট্রাফিক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় এক মাসে প্রায় ৭ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও অনেক গাড়িকে ডাম্পিংয়ে পাঠানোসহ রেকারিং করা হয়েছে। মামলা ও জরিমানা করা শেষ কথা নয়। আমরা ট্রাফিক আইন মানার জন্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, ঢাকায় কোনো ধরনের বাসস্টপেজের চিহ্ন ছিল না। আমরা ১৩০টির মতো বাসস্টপেজে সাইনবোর্ড তৈরি করেছি। মোটরসাইকেল যাতে হেলমেট ছাড়া না চলে এবং একজনের বেশি যাত্রী না নেয়, তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি অনেকটাই সফল হয়েছে এবং জনগণ প্রশংসা করেছে। মানুষ যাতে ফুট ওভারব্রিজ ও জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করে, সে জন্য বিভিন্ন সংগঠন কাজ করেছে। সেখানে আমাদের সফলতা এসেছে, তবে কাক্সিক্ষত মাত্রায় আসেনি।

তিনি বলেন, শত বছরের অভ্যাস বা অনিয়ম ১ মাসে পরিবর্তন হবে এটা আশা করা যায় না। তবে আমরা আশাবাদী সবাই সচেতন হয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। তারপরও মাসব্যাপী কর্মসূচিতে আমাদের অনেক সাফল্য এসেছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, কোন ধরণের অনিয়ম ডিএমপি করবে না- কাউকে করতেও দিবে না। অন্যায়কারী যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে, অনিয়ম দূরকরণ ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ডিএমপি’র পক্ষ থেকে যা যা করার দরকার তা করা হবে।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :

ভোটের দিন চলবে বাড়তি মেট্রো ট্রেন

ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমাদের সফলতা আছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত : ০৬:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের যথেষ্ট আন্তরিকতা আছে।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমাদের সফলতা আছে, আমাদের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, কিন্তু আন্তরিকতায় কোনো ঘাটতি ছিল না।

ডিএমপি কমিশনার আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেল ক্রসিংয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মীর রেজাউল আলমসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও আইন না মানার প্রবণতার ফলে সব চেষ্টা বিফলে যাচ্ছে। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আইন না মানার মানসিকতা।

তিনি বলেন, মানুষকে জোর করেও আইন মানতে বাধ্য করা যাচ্ছে না। এটা কেন? বিদেশে যখন যাই, আমরা আইন মানি। তাহলে ঢাকার সড়কে বেরিয়ে আমরা আইন মানি না কেন?’

কমিশনার বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমাদের সঙ্গে রেড ক্রিসেন্ট, রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, গার্লস গাইডসহ বিভিন্ন সংগঠন কাজ করেছে। সরকারের অন্যান্য সংস্থা, যেমন: প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশনও কাজ করেছে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সড়কের বিশৃঙ্খলা দূর করতে আন্দোলন করেছিল আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। তাদের দেখানো পথ অনুসরণে আমরা প্রথমে ১০ দিন ব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছিলাম। পরবর্তী সময়ে সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে ট্রাফিক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় এক মাসে প্রায় ৭ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও অনেক গাড়িকে ডাম্পিংয়ে পাঠানোসহ রেকারিং করা হয়েছে। মামলা ও জরিমানা করা শেষ কথা নয়। আমরা ট্রাফিক আইন মানার জন্য সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, ঢাকায় কোনো ধরনের বাসস্টপেজের চিহ্ন ছিল না। আমরা ১৩০টির মতো বাসস্টপেজে সাইনবোর্ড তৈরি করেছি। মোটরসাইকেল যাতে হেলমেট ছাড়া না চলে এবং একজনের বেশি যাত্রী না নেয়, তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি অনেকটাই সফল হয়েছে এবং জনগণ প্রশংসা করেছে। মানুষ যাতে ফুট ওভারব্রিজ ও জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করে, সে জন্য বিভিন্ন সংগঠন কাজ করেছে। সেখানে আমাদের সফলতা এসেছে, তবে কাক্সিক্ষত মাত্রায় আসেনি।

তিনি বলেন, শত বছরের অভ্যাস বা অনিয়ম ১ মাসে পরিবর্তন হবে এটা আশা করা যায় না। তবে আমরা আশাবাদী সবাই সচেতন হয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন। তারপরও মাসব্যাপী কর্মসূচিতে আমাদের অনেক সাফল্য এসেছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, কোন ধরণের অনিয়ম ডিএমপি করবে না- কাউকে করতেও দিবে না। অন্যায়কারী যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে, অনিয়ম দূরকরণ ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ডিএমপি’র পক্ষ থেকে যা যা করার দরকার তা করা হবে।

বিবি/এসআর