প্রতিবছর ২ শতাংশ হারে দারিদ্র কমাতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ভবিষ্যৎ উন্নয়নের এ লক্ষ্য পূরণে পণ্য ও সেবার বহুমুখীকরণে জোর দেওয়া হবে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি বলেও প্রত্যাশা অর্থমন্ত্রীর।
বুধবার (৩ অক্টোবর) বিকালে মতিঝিলে নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘বাংলদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন: অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে দারিদ্র কমাতে সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠী কমাতে সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা প্রতিবছর ১.৬ থেকে ১.৮ শতাংশ হারে দারিদ্র কমাতে চাই। তবে দরিদ্রতা কমানোর এই হার ২ শতাংশের কাছাকাছিও হতে পারে।’
মুহিত বলেন, ‘পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পণ্য ও সেবার বহুমুখীকরণে জোর দেওয়া হবে। এতে উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নীতি সংস্থার ওপর জোর দেওয়া হবে।’
প্রতিবছর নতুন করে ২০ লাখ কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হয় জানিয়ে প্রবীণ এই মন্ত্রী বলেন, ‘এরমধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে আমরা ৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করতে সক্ষম। কাজের খোঁজে ৫ লাখ জনগোষ্ঠী বিদেশে যায়। কিন্তু গত বছর বিদেশে গিয়েছে ১০ লাখ। আর বাকি ৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরির চিন্তা করছে সরকার। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি এর সমাধান হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির বলেন, ‘বর্তমানে দেশের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের উপরে। আমরা এখন এসডিজি অর্জনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। আশা করা যায়, খুব শিগগিরই উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবো আমরা।’
নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফাদার প্যাট্রিক ড্যানিয়েল গ্যাফনির সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. আজিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক মুখপত্র ‘ডে স্টার’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
বিবি/ইএম
























