১২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

মায়ার ১৩ বছরের সাজা বাতিল

দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় খালাস পেয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

সোমবার এ মামলায় ১৩ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর করে তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে ১৪ আগস্ট পুনঃশুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছিলেন। পরে রোববার ফের শুনানি শেষে সোমবার রায় দেয়া হয়।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, ড. বশির আহমেদ ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে সাঈদ আহমেদ রাজা জানান, আদালত তার আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তিনি খালাস পেয়েছেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, আদালত ত্রাণমন্ত্রীর আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তিনি ১৩ বছরের দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল আলম সূত্রাপুর থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে জরিমানাও করেন। আপিলের পর ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এ নেতার ১৩ বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট।

এর বিরুদ্ধে দুদকের আবেদনের পর ২০১৫ সালের ১৪ জুন মায়াকে হাইকোর্টের দেয়া খালাসের রায় বাতিল করেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ।

একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশও দেয়া হয়। পরে রিভিউ খারিজ করেন আপিল বিভাগ। এর পর আপিল বিভাগের আদেশ অনুসারে হাইকোর্টের এ বেঞ্চে পুনরায় শুনানি হয়

বিবি/ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

মায়ার ১৩ বছরের সাজা বাতিল

প্রকাশিত : ০৩:২৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় খালাস পেয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

সোমবার এ মামলায় ১৩ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর করে তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে ১৪ আগস্ট পুনঃশুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছিলেন। পরে রোববার ফের শুনানি শেষে সোমবার রায় দেয়া হয়।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, ড. বশির আহমেদ ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে সাঈদ আহমেদ রাজা জানান, আদালত তার আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তিনি খালাস পেয়েছেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, আদালত ত্রাণমন্ত্রীর আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তিনি ১৩ বছরের দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নুরুল আলম সূত্রাপুর থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ জজ আদালত মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে জরিমানাও করেন। আপিলের পর ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগের এ নেতার ১৩ বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট।

এর বিরুদ্ধে দুদকের আবেদনের পর ২০১৫ সালের ১৪ জুন মায়াকে হাইকোর্টের দেয়া খালাসের রায় বাতিল করেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ।

একই সঙ্গে হাইকোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশও দেয়া হয়। পরে রিভিউ খারিজ করেন আপিল বিভাগ। এর পর আপিল বিভাগের আদেশ অনুসারে হাইকোর্টের এ বেঞ্চে পুনরায় শুনানি হয়

বিবি/ইএম