অ্যাপস ভিত্তিক সেবা প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের রাইডাররা সহজ কিস্তিতে রানারের মোটরসাইকেল কিনতে পারবেন। এখন থেকে ১২ থেকে ১৮ মাসের কিস্তি সুবিধায় ২০ শতাংশ কম ডাউন পেমেন্টে ব্রান্ডটির যে কোনো মডেলের মোটরসাইকেল পাবেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের রানার কার্যালয়ে রানার অটোমোবাইলস ও অ্যাপ ভিত্তিক পরিবহন সেবা পাঠাওয়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়।
চুক্তি সম্পাদন অনুষ্ঠানে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন, পরিচালক আমিদ সাকিফ খান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুশেক শর্মা, হেড অব কর্পোরেট সেলস আশিক আহমেদ এছাড়া পাঠাওয়ের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন এম ইলিয়াস এবং হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স রুজান সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রানার মোটরসাইকেল শিল্পের অগ্রদূত। পাঠাও শীর্ষ রাইড শেয়ারিং কোম্পানি। দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ চুক্তি সইয়ের ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ আরও সহজ হবে। সহজ কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনতে পারায় তৈরি হবে অনেকের কর্মসংস্থান।
রাইড শেয়ারিং নীতিমালা অনুযায়ী নতুন কেনা মোটরসাইকেল দিয়ে এক বছরের মধ্যে রাইড শেয়ার করা যাবে না। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পাঠাও কর্তৃপক্ষ জানায়, এখনো অনেকেই নতুন মোটরসাইকেল দিয়ে রাইড শেয়ার করছে। বিষয়টি নিয়মে না থাকলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই পাঠাও ও রানার এ উদ্যোগ নিয়েছে।
অ্যাপ ছাড়াই অনেকে রাইড শেয়ার করছে এবং পাঠাওয়ের কারণে যানজট বাড়ছে এমন এক প্রশ্নের জবাবে পাঠাও জানায়, বিষয়টি মানসিকতার ব্যাপার। আর পাঠাওয়ের কারণেই যানজট বাড়ছে না। বিশ্বের বহু দেশে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি মোটরসাইকেল রয়েছে। পাঠাওয়ের চালক ও যাত্রী উভয়কে বীমার আওয়াতায় আনা হবে বলেও জানান পাঠাওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন এম ইলিয়াস।
রানারের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, পাঠাও ও রানার দুটিই দেশীয় প্রতিষ্ঠান। এখন থেকে পাঠাওয়ের মাধ্যমে কিস্তিতে বাইক কিনতে পারায় নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে। এসব উদ্যোক্তাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিবি/ ইএম
























