০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

সালাউদ্দিন সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন

যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর বুধবার বিকেলে ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে আর্মি মেডিকেল সেন্টার এন্ড স্কুল প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য ড. আব্দুল রাজ্জাক, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন, সংরতি আসনের এমপি মনোয়ারা বেগম, জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম । সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলে অনুষ্ঠানে আগত সকল বীরমুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ২১জন খেতাব প্রাপ্ত ম্ুিক্তযোদ্ধা ও তার পরিবারবর্গের মাঝে স্বারক উপহার তুলে দেয়া হয়। এসময় অনুষ্ঠানে সামরিক-বেসামরিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের পরিবারবর্গও শিার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। সেই দিন থেকেই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। আগে তিন বাহিনী ভিন্ন ভিন্ন দিনে দিবসটি পালন করত। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিন বাহিনী দিবসটিকে সম্মিলিতভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই থেকে ২১ নভেম্বরকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। আগে সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ, নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর ও বিমান বাহিনী ২৮ সেপ্টেম্বর আলাদাভাবে দিবসটি পালন করত। সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালনের পেছনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জড়িয়ে রয়েছে।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভালুকায় বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ

সালাউদ্দিন সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন

প্রকাশিত : ০৩:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮

যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়েছে। ২১ নভেম্বর বুধবার বিকেলে ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে আর্মি মেডিকেল সেন্টার এন্ড স্কুল প্যারেড গ্রাউন্ড মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য ড. আব্দুল রাজ্জাক, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন, সংরতি আসনের এমপি মনোয়ারা বেগম, জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম । সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলে অনুষ্ঠানে আগত সকল বীরমুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ২১জন খেতাব প্রাপ্ত ম্ুিক্তযোদ্ধা ও তার পরিবারবর্গের মাঝে স্বারক উপহার তুলে দেয়া হয়। এসময় অনুষ্ঠানে সামরিক-বেসামরিক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের পরিবারবর্গও শিার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। সেই দিন থেকেই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। আগে তিন বাহিনী ভিন্ন ভিন্ন দিনে দিবসটি পালন করত। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিন বাহিনী দিবসটিকে সম্মিলিতভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই থেকে ২১ নভেম্বরকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। আগে সেনাবাহিনী ২৫ মার্চ, নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর ও বিমান বাহিনী ২৮ সেপ্টেম্বর আলাদাভাবে দিবসটি পালন করত। সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালনের পেছনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জড়িয়ে রয়েছে।

বিবি/ ইএম