১২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

নির্বাচনে অংশ নিলে পদ হারাবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটির সদস্যরা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। জাতীয় নির্বাচনে শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের আচরণ বিধিমালা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। সেখানে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদার স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্বাচন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যবিধ সরকারি সুবিধাভোগ করিতে পারবে না। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীও নির্বাচন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

আরও বলা হয়েছে, কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত ব্যক্তি সেই পদে বহাল থেকে নির্বাচন করতে পারবেন না। জাতীয় নির্বাচন করতে হলে তাকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। তাকে প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব বা অংশগ্রহণসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রমের দায়িত্ব থেকে স্থগিত রাখা হবে।জাতীয় নির্বাচন আচরণবিধি ১৪(২) এবং ১৪ (৪) ধারা অনুযায়ী এসব আইন মান্য করতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব নির্দেশ বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে মাউশির এই নির্দেশনায়।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

নির্বাচনে অংশ নিলে পদ হারাবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটির সদস্যরা

প্রকাশিত : ০৯:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। জাতীয় নির্বাচনে শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদের আচরণ বিধিমালা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। সেখানে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদার স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্বাচন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যবিধ সরকারি সুবিধাভোগ করিতে পারবে না। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীও নির্বাচন কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

আরও বলা হয়েছে, কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বা সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত ব্যক্তি সেই পদে বহাল থেকে নির্বাচন করতে পারবেন না। জাতীয় নির্বাচন করতে হলে তাকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে। তাকে প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব বা অংশগ্রহণসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রমের দায়িত্ব থেকে স্থগিত রাখা হবে।জাতীয় নির্বাচন আচরণবিধি ১৪(২) এবং ১৪ (৪) ধারা অনুযায়ী এসব আইন মান্য করতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব নির্দেশ বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে মাউশির এই নির্দেশনায়।

বিবি/ ইএম