০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪

ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ‘নট টুডে’ বলে এই আদেশ দেন। আজ শুনানি ছয় সপ্তাহের জন্য মুলতবি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন আপিল বিভাগ।

গত ১১ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) এর ১৪টি ধারা ও উপধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা অবৈধ ঘোষণা করেন। এ ছাড়া তিন রিটকারীর সাজা অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং জরিমানাও বাতিল করেন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

ট্যাগ :

ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি

প্রকাশিত : ০২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ‘নট টুডে’ বলে এই আদেশ দেন। আজ শুনানি ছয় সপ্তাহের জন্য মুলতবি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন আপিল বিভাগ।

গত ১১ মে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) এর ১৪টি ধারা ও উপধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা অবৈধ ঘোষণা করেন। এ ছাড়া তিন রিটকারীর সাজা অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং জরিমানাও বাতিল করেন আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।