০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ১০ ফেব্রুয়ারি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে।আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবির ইয়াসিন আহসান চৌধুরী নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ছিল।ওইদিনও প্রতিবেদন জমা পড়েনি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে যায়। স্থানান্তরিত এসব টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।

ধারণা করা হয়, দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় এ অর্থ পাচার করা হয়েছে।

রিজার্ভের এ অর্থ চুরি যাওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় করা মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।

২০১৭ সালের ১৬ মার্চ মামলাটি তদন্ত করে সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। তবে দফায় দফায় সময় নিলেও নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি পুলিশের এ তদন্ত সংস্থাটি।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ১০ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত : ০৩:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৯

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন পিছিয়েছে।আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবির ইয়াসিন আহসান চৌধুরী নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ছিল।ওইদিনও প্রতিবেদন জমা পড়েনি।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে যায়। স্থানান্তরিত এসব টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়।

ধারণা করা হয়, দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় এ অর্থ পাচার করা হয়েছে।

রিজার্ভের এ অর্থ চুরি যাওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)-এর ৪ ধারাসহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় করা মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি।

২০১৭ সালের ১৬ মার্চ মামলাটি তদন্ত করে সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত। তবে দফায় দফায় সময় নিলেও নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি পুলিশের এ তদন্ত সংস্থাটি।

বিবি/রেআ