০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি স্কুল

ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশ দুটি চালু করতে যাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক কফি স্কুল। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা শহরে এটি চালু হতে যাচ্ছে।

দেশটির গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এ ধরনের স্কুল গড়ে তুলতে একত্রে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের গভর্নর রিদওয়ান কামিল দক্ষিণ কোরিয়ার সুং কিউল ইউনিভার্সিটির প্রধান ডং চেওল ইউন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ডং চেওল ইউন এর আগে ইন্দোনেশিয়ার বান্ডুংয়ে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

রিদওয়ান কামিল বলেন, পশ্চিম জাভায় পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই অঞ্চলের কফি উন্নত করার লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক কফি স্কুল খোলার ধারণাটি গ্রহণ করা হয়েছিল। এশিয়ার সবচেয়ে বেশি কফি পানের দেশ দক্ষিণ কোরিয়া এ উদ্যোগে সহযোগিতা করছে বলে জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নিয়ে কথা বলার সময় কামিল বলেন, স্কুলটি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে এবং ওই অঞ্চলের কফির মান উন্নত করবে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মসজিদ কমিটির বিরোধে ধাক্কাধাক্কিতে, সভাপতি মৃত্যু!

ইন্দোনেশিয়ায় চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক কফি স্কুল

প্রকাশিত : ০১:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৯

ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশ দুটি চালু করতে যাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক কফি স্কুল। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা শহরে এটি চালু হতে যাচ্ছে।

দেশটির গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা এ ধরনের স্কুল গড়ে তুলতে একত্রে কাজ করছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের গভর্নর রিদওয়ান কামিল দক্ষিণ কোরিয়ার সুং কিউল ইউনিভার্সিটির প্রধান ডং চেওল ইউন-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ডং চেওল ইউন এর আগে ইন্দোনেশিয়ার বান্ডুংয়ে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

রিদওয়ান কামিল বলেন, পশ্চিম জাভায় পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই অঞ্চলের কফি উন্নত করার লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক কফি স্কুল খোলার ধারণাটি গ্রহণ করা হয়েছিল। এশিয়ার সবচেয়ে বেশি কফি পানের দেশ দক্ষিণ কোরিয়া এ উদ্যোগে সহযোগিতা করছে বলে জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নিয়ে কথা বলার সময় কামিল বলেন, স্কুলটি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে এবং ওই অঞ্চলের কফির মান উন্নত করবে।

বিবি/রেআ