রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের কারিগরপাড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।
শুক্রবার উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে থুইসিং মারমা (৪০), মংছা প্রু মারমা (৫৩), তেজন্দ্র তঞ্চঙ্গা (৩৬), উথোয়াইনু মারমা (৪৮), চাছিং মং মারমা (২৫) ও থাওয়াই মং মারমাকে (২৪) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর রাঙ্গামাটির সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহম্মদের আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে যৌথবাহিনীর অভিযানে খোংসাথুই মারমা ওরফে মোস্তফা (৫২) ও তপন তালুকদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
জোড়া খুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ও চন্দ্রঘোনা থানার ওসি (তদন্ত) শফিউল আজম জানান, গত ২ দিনে হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে যৌথবাহিনী। এ মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেল ৪টায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়ায় স্থানীয় মাসিং মারমার চায়ের দোকানে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত অবস্থায় মুখোশধারী একদল সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মংসিনু মারমা (৪০) ও মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
হত্যার ঘটনার পর নিহতের নিজেদের দলীয় কর্মী বলে দাবি করে রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (গণতান্ত্রিক)। তবে দুই দলই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএসকে দায়ী করছে।
ঘটনার পরদিন নিহত মংসিনু মারমার শ্বশুর আপ্রু মারমা বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বিবি/জেজে





















