০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

সবার ব্যর্থতার মাঝে উজ্জ্বল মিঠুনের ব্যাট

পাঁচ নম্বরে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ২৯, সাব্বির রহমানের সঙ্গে ২৩, মেহেদি হাসান মিরাজের সঙ্গে ৩৭ এবং মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীনের সঙ্গে এখনো পর্যন্ত ইনিংস সর্বোচ্চ অবিচ্ছিন্ন ৫০ রানের জুটি গড়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

একপ্রান্ত আগলে দলকে নিয়ে যাচ্ছেন বলার মতো সংগ্রহে। অন্য সব ব্যাটসম্যানরা যেখানে যোগ দিয়েছেন আসা যাওয়ার মিছিলে সেখানে নিজের প্রান্তে অবিচল থেকে তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতক।

ইনিংসের নবম ওভারে উইকেটে আসেন মিঠুন। তিনি কোনো বল খেলার আগেই সে ওভারের দ্বিতীয় বলে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তখনো পর্যন্ত দুর্দান্ত ব্যাট করা সৌম্য। এরপর থেকেই শুরু মিঠুনের প্রতিরোধ।

অন্য প্রান্তে মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির কিংবা মিরাজ যখন বেছে নিয়েছিলেন পাল্টা আক্রমণের পথ, তখন মিঠুন ধরেন দেখেশুনে খেলার পরিকল্পনা। তাই তো তার পরে নেমে মাহমুদউল্লাহ ১৩, সাব্বির ১৩ এবং মিরাজ ২৬ রান করে আউট হওয়ার সময়েও মিঠুনের রান মাত্র ২৬।

পাল্টা আক্রমণ করে ফায়দা হচ্ছে না দেখে সপ্তম উইকেটে সাঈফকে সঙ্গে নিয়ে বরং দেখেশুনে খেলার পথটাই বেছে নেন মিঠুন। লকি ফার্গুসনের গতি আর জিমি নিশামের নিখুঁত লাইনলেন্থের বিপক্ষে রান তোলার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাই উত্তম পন্থা মেনে খেলতে থাকেন এ দুজন।

ধীরেসুস্থে খেলে ইনিংসের ৪০তম ওভারে নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি পূরণ করেন তিনি। ৭৩ বলে ৪টি চারের মারে ৫০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। মিঠুনের দৃঢ় ব্যাটিংকে যথাযথ সঙ্গ দিচ্ছেন সাইফউদ্দীনও।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪২ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৯২ রান। মিঠুন ৭৮ বলে ৫৩ এবং সাঈফউদ্দীন ৪৮ বলে ২৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সবার ব্যর্থতার মাঝে উজ্জ্বল মিঠুনের ব্যাট

প্রকাশিত : ১০:৪৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

পাঁচ নম্বরে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ২৯, সাব্বির রহমানের সঙ্গে ২৩, মেহেদি হাসান মিরাজের সঙ্গে ৩৭ এবং মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীনের সঙ্গে এখনো পর্যন্ত ইনিংস সর্বোচ্চ অবিচ্ছিন্ন ৫০ রানের জুটি গড়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

একপ্রান্ত আগলে দলকে নিয়ে যাচ্ছেন বলার মতো সংগ্রহে। অন্য সব ব্যাটসম্যানরা যেখানে যোগ দিয়েছেন আসা যাওয়ার মিছিলে সেখানে নিজের প্রান্তে অবিচল থেকে তুলে নিয়েছেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় অর্ধশতক।

ইনিংসের নবম ওভারে উইকেটে আসেন মিঠুন। তিনি কোনো বল খেলার আগেই সে ওভারের দ্বিতীয় বলে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তখনো পর্যন্ত দুর্দান্ত ব্যাট করা সৌম্য। এরপর থেকেই শুরু মিঠুনের প্রতিরোধ।

অন্য প্রান্তে মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির কিংবা মিরাজ যখন বেছে নিয়েছিলেন পাল্টা আক্রমণের পথ, তখন মিঠুন ধরেন দেখেশুনে খেলার পরিকল্পনা। তাই তো তার পরে নেমে মাহমুদউল্লাহ ১৩, সাব্বির ১৩ এবং মিরাজ ২৬ রান করে আউট হওয়ার সময়েও মিঠুনের রান মাত্র ২৬।

পাল্টা আক্রমণ করে ফায়দা হচ্ছে না দেখে সপ্তম উইকেটে সাঈফকে সঙ্গে নিয়ে বরং দেখেশুনে খেলার পথটাই বেছে নেন মিঠুন। লকি ফার্গুসনের গতি আর জিমি নিশামের নিখুঁত লাইনলেন্থের বিপক্ষে রান তোলার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাই উত্তম পন্থা মেনে খেলতে থাকেন এ দুজন।

ধীরেসুস্থে খেলে ইনিংসের ৪০তম ওভারে নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি পূরণ করেন তিনি। ৭৩ বলে ৪টি চারের মারে ৫০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। মিঠুনের দৃঢ় ব্যাটিংকে যথাযথ সঙ্গ দিচ্ছেন সাইফউদ্দীনও।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪২ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৯২ রান। মিঠুন ৭৮ বলে ৫৩ এবং সাঈফউদ্দীন ৪৮ বলে ২৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

বিবি/রেআ