ঢাকা বিকাল ৫:৫৪, শুক্রবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ধর্মচ্যূত হচ্ছেন রণবীর!

সম্প্রতি চুল কেটে আলাউদ্দিন খলজি থেকে রণবীর সিং-এ ফিরেছেন ‘পদ্মাবতী’র অভিনেতা। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেছিলেন তিনি। আবারও শুক্রবার সেই পুরনো লম্বা চুলের হেয়ারস্টাইলে আরও একটি সাদা-কালো ছবি পোস্ট করেছেন রণবীর। ছবিটির নিচে লেখা একটি ক্যাপশান নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।
রণবীর ক্যাপশানে লিখেছেন ‘খড়ংরহম সু ৎবষরমরড়হ’। যেটা বাংলায় অর্থ হচ্ছে- ‘ধর্মচ্যূত হচ্ছি’।
যেখানে ‘পদ্মাবতী’ নিয়ে বিতর্ক শেষ হচ্ছে না, তারই মধ্যে আরও একটি বিতর্ক উস্কে দিলেন আলাউদ্দিন খলজি। যদিও এই ক্যাপশানে অভিনেতা আদৌ কী বোঝাতে চেয়েছেন বা ছবিটার সঙ্গে তার এই ক্যাপশানের কোনও যোগ আছে কিনা তাও বোঝা যায়নি। তবে বলিউড সূত্রে খবর, আলাউদ্দিন খলজির চরিত্রে অভিনয়ের জন্য টানা দু’বছর সেই চরিত্রের মধ্যেই নাকি ঢুকে পড়েছিলেন রণবীর। আর সেজন্য নাকি তিনি মনোবিদ্-এরও পরামর্শ নিয়েছেন।
সে যাই হোক, আপাতত রণবীরের এই ‘ধর্মচ্যূত হচ্ছি’ ক্যাপশানকে নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা করেছেন নেটিজেনরা। রণবীরের এই টুইটে ১০,০০০ লাইকেরও বেশি, ৬০০-রও বেশি রিটুইট হয়েছে। কেউ ব্যাখ্যা দিয়েছে ‘খড়ংরহম সু ৎবষরমরড়হ’ আসলে আমেরিকান ব্যান্ড জঊগ-এর জনপ্রিয় একটি গান। তবে ক্যাপশানকে নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে বিস্তর। কেউ বলেছেন সিনেমার জন্য ইচ্ছে করে বিতর্ক তৈরির করতেই এমনটা বলেছেন রণবীর।
একজন কমেন্ট করেছেন, ‘অসুবিধা নেই … এমনটা হয় … যেখানে এমন একটা সংস্কারী চরিত্রের মধ্যে দু’বছর ধরে ঢুকে রয়েছেন তাতে ধর্ম কেন, মনুষত্বও হারিয়ে ফেলা অস্বাভাবিক নয়। ঘর ওয়াপাসি সব সময় সম্ভব …তবে মনোবিদ কী বলছেন?’
কেউ কেউ আবার বিষয়টা নিয়ে সনু নিগমের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করতেও ছাড়েননি।

এ বিভাগের আরও সংবাদ