১০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের বোরিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার বেলা ১১টার পর এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এরপর বন্দরনগরী লালখানবাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে একটি বিশেষ বিমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছান শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।

দুই টিউবের মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ওয়ান সিটি টু টাউন মডেলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশে এ টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমে আসবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৩২ শতাংশ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

অন্যদিকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ লেনের ১৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের বোরিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার বেলা ১১টার পর এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।

এরপর বন্দরনগরী লালখানবাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে একটি বিশেষ বিমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছান শেখ হাসিনা।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণে ব্যয় হবে ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।

দুই টিউবের মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ওয়ান সিটি টু টাউন মডেলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ও এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশে এ টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমে আসবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ৩২ শতাংশ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

অন্যদিকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ লেনের ১৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

বিবি/রেআ