০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সোহেলের মরদেহ রাতে ঢাকায় পৌঁছাবে

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ফায়ারম্যান সোহেল রানার মরদেহ আজ (সোমবার) রাতে ঢাকায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ।

গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার কাজের সময় আহত হন সোহেল রানা। শুরুতে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।

শাকিল নেওয়াজ বলেন, সিঙ্গাপুরে ফরেনসিক ফরমালিটিজ সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামিয়া বাস্কেট কোম্পানির কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে আজ রাত ৮টায় সোহেল রানার মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সোহেলের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর টার্মিনাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা সিএমএইচ মর্গে নেওয়া হবে।

জানাজার বিষয়ে তিনি বলেন, তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঢাকার আসছেন। মঙ্গলবার তাদের সাথে কথা বলে ঢাকায় জানাজার ব্যবস্থা করা হবে। এরপর মরদেহ গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে পাঠানো হবে।

এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত এবং ৭১ জন আহত হন। ওইদিন কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের ফায়ারম্যান সোহেল রানা উঁচু ল্যাডার (মই) দিয়ে আগুন নেভানো ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছিলেন। ভবনে আটকে পড়া ৪-৫ জনকে উদ্ধার করে একসঙ্গে নিচে নামানোর সময় ল্যাডারটি ওভারলোড দেখাচ্ছিল।

ওভারলোড হলে সাধারণত ল্যাডার নিচে নামে না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। তাই ল্যাডারের ওজন কমাতে এক পর্যায়ে সোহেল নিজেই ল্যাডার বেয়ে নিচে নামছিলেন। ল্যাডারের ওজন কমায় সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। এতে করে তার একটি পা ল্যাডারের ভেতরে ঢুকে যায়। এছাড়া তার শরীরের সেফটি বেল্টটি ল্যাডারে আটকে পেটে প্রচণ্ড চাপ লাগে। এরপর থেকেই সংজ্ঞাহীন হন সোহেল।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সোহেলের মরদেহ রাতে ঢাকায় পৌঁছাবে

প্রকাশিত : ০৪:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০১৯

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ফায়ারম্যান সোহেল রানার মরদেহ আজ (সোমবার) রাতে ঢাকায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ।

গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার কাজের সময় আহত হন সোহেল রানা। শুরুতে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।

শাকিল নেওয়াজ বলেন, সিঙ্গাপুরে ফরেনসিক ফরমালিটিজ সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামিয়া বাস্কেট কোম্পানির কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে আজ রাত ৮টায় সোহেল রানার মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সোহেলের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর টার্মিনাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা সিএমএইচ মর্গে নেওয়া হবে।

জানাজার বিষয়ে তিনি বলেন, তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঢাকার আসছেন। মঙ্গলবার তাদের সাথে কথা বলে ঢাকায় জানাজার ব্যবস্থা করা হবে। এরপর মরদেহ গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে পাঠানো হবে।

এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত এবং ৭১ জন আহত হন। ওইদিন কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের ফায়ারম্যান সোহেল রানা উঁচু ল্যাডার (মই) দিয়ে আগুন নেভানো ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছিলেন। ভবনে আটকে পড়া ৪-৫ জনকে উদ্ধার করে একসঙ্গে নিচে নামানোর সময় ল্যাডারটি ওভারলোড দেখাচ্ছিল।

ওভারলোড হলে সাধারণত ল্যাডার নিচে নামে না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হয়ে যায়। তাই ল্যাডারের ওজন কমাতে এক পর্যায়ে সোহেল নিজেই ল্যাডার বেয়ে নিচে নামছিলেন। ল্যাডারের ওজন কমায় সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। এতে করে তার একটি পা ল্যাডারের ভেতরে ঢুকে যায়। এছাড়া তার শরীরের সেফটি বেল্টটি ল্যাডারে আটকে পেটে প্রচণ্ড চাপ লাগে। এরপর থেকেই সংজ্ঞাহীন হন সোহেল।

বিবি/ ইএম