ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডে ১৬ জনকে সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এ কারণে বলা যায়, সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা গেছে।
সেক্ষেত্রে দ্রুত তদন্ত শেষ করে মে মাসের মধ্যেই চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার।
রোববার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সোনাগাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে পুনরায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ছাড়া, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের মামলায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে ১৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এসব আসামিদের হত্যকাণ্ডে কী কী ভূমিকা ছিল, তা আমরা বের করেছি।’
উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত।
পিবিআই এখন পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত আট আসামিসহ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে হত্যার দায় স্বীকার করে আসামি নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জোবায়ের আহমেদ, আব্দুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
বিবি/ ইএম

























