আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে নবম বারের মত সারাদেশে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি)। পরীক্ষায় মোট ৩০ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৫ জন অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, মোট ৩০ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৮ লক্ষ ৪ হাজার ৫০৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এরমধ্যে ১২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ লক্ষ ৪ হাজার ৫২৪ জন ছাত্রী। অন্যদিকে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৫৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এরমধ্যে ছাত্র ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ১৫২ জন এবং ছাত্রী ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪১৪ জন।
গতবারের তুলনায় এবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে শিক্ষার্থী কমেছে। এরমধ্যে প্রাথমিকে এ সংখ্যা ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৬৪ জন এবং ইবতেদায়ীতে ৮ হাজার ১৮৯ জন।
শিক্ষার্থী কমার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা স্বাভাবিকভাবেই কমেছে। চাইলেই এটা বাড়িয়ে বলার সুযোগ নেই। আসল সংখ্যা টাই প্রকাশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, সর্বমোট ৭ হাজার ২৭৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে দেশে ৭ হাজার ২৬৭টি এবং দেশের বাইরে রয়েছে ১২টি কেন্দ্র। সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্নের জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তার সাথে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণের কাজ শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে এবং তা সংশ্লিষ্ট থানা বা ট্রেজারি হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরীক্ষার দিন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নপত্র উপজেলা থেকে কেন্দ্র সচিবের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। দুর্গম এলাকায় ২০৪টি কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের যতগুলো পথ আছে সব পথই বন্ধ করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা জাতীয় দায়িত্ব। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এর বিকল্প নেই।

























