০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

বান্দরবানে আওয়ামী লীগকর্মীকে গুলি করে হত্যা

বান্দরবানের সদর উপজেলায় অপহরণের পর আওয়ামী লীগকর্মী ক্যচিং থোয়াই মারমাকে (২৮) করা হয়েছে।  রোববার ভোররাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চার নম্বর রাবার বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ক্যচিং থোয়াই মারমা (২৮) রাজবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকর্মী ছিলেন। তিনি তাউ থোয়াই মারমার ছেলে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইম্রা অং মারমার ছোটভাই।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চার নম্বর রাবার বাগান এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ক্যচিং থোয়াই মারমাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

সকালে রাবার বাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয়রা একটি মৃতদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ রোববার নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এদিকে আওয়ামী লীগকর্মীকে হত্যার জন্য জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে জেএসএস জেলা সভাপতি উছোমং মারমা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এর দুদিন আগে ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন যুব পরিষদের কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে এবং পুরাধন তঞ্চঙ্গা নামের আরেকজন কর্মীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃতের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিবি/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শৃঙ্খলা রক্ষায় তেলের ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

বান্দরবানে আওয়ামী লীগকর্মীকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত : ০২:৪৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯

বান্দরবানের সদর উপজেলায় অপহরণের পর আওয়ামী লীগকর্মী ক্যচিং থোয়াই মারমাকে (২৮) করা হয়েছে।  রোববার ভোররাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চার নম্বর রাবার বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ক্যচিং থোয়াই মারমা (২৮) রাজবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকর্মী ছিলেন। তিনি তাউ থোয়াই মারমার ছেলে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইম্রা অং মারমার ছোটভাই।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চার নম্বর রাবার বাগান এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ক্যচিং থোয়াই মারমাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।

সকালে রাবার বাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয়রা একটি মৃতদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ রোববার নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এদিকে আওয়ামী লীগকর্মীকে হত্যার জন্য জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে জেএসএস জেলা সভাপতি উছোমং মারমা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এর দুদিন আগে ৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন যুব পরিষদের কর্মী বিনয় তঞ্চঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে এবং পুরাধন তঞ্চঙ্গা নামের আরেকজন কর্মীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃতের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিবি/এমএ