০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দেশে গুম-নিখোঁজের সংখ্যা কমেছে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশে গুম ও নিখোঁজের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। সাংবাদিক উৎপল দাস ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান সিজারের নিখোঁজ নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই তিনি এ কথা জানালেন। বুধবার সকালে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। রিপোর্টার উৎপল দাস গত ১০ অক্টোবর ঢাকার মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ। এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। অন্যদিকে ৭ নভেম্বর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নেওয়ার পর বিকেল থেকে সিজারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এর পর থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ মিলছে না। সম্প্রতি নিখোঁজ সিজারকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অচিরেই তাঁকে উদ্ধার করা হবে। তিনি জানান, অনেক নিখোঁজের ঘটনাকে প্রথমে গুম বলা হয়। কিন্তু পরে দেখা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তি নিজে থেকেই ফিরে এসেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুমের সংখ্যা, নিখোঁজের সংখ্যা আপনি যদি বলেন, আমি সেই একই কথা বলব, আমাদের সময়ে এই সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এখন যে একটি আলোচিত একজন হয়ে গেছেন, আমাদের গোয়েন্দারা চেষ্টা করছেন তাঁকে উদ্ধার করার জন্য। আমি আশা করি, যেকোনো সময় উদ্ধার হয়ে যাবে। মন্ত্রী জানান, রংপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে যার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনার সূত্রপাত, তাকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, উৎপল দাসের সন্ধান দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে নরসিংদী জেলা সাংবাদিক সমিতি। নিখোঁজ উৎপল দাস এ সংগঠনের দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় নরসিংদী জেলা সাংবাদিক সমিতির একটি প্রতিনিধি দল। উৎপল দাস গত ১০ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে কাজ শেষে অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ। তার সন্ধান চেয়ে তার পত্রিকা অফিস ও পরিবারের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় পৃথক দুটি জিডি করা হয়েছে। দীর্ঘ একমাস অতিবাহিত হলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত। পরিবারের সদস্যরা তাকে হারানোর বেদনায় খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে ভেঙে পড়েছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে তার সন্ধান চাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উৎপলের সন্ধান চাওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তার কোনো হদিস জানাতে পারেনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশে গুম-নিখোঁজের সংখ্যা কমেছে

প্রকাশিত : ১২:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৭

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, দেশে গুম ও নিখোঁজের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। সাংবাদিক উৎপল দাস ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার হাসান সিজারের নিখোঁজ নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই তিনি এ কথা জানালেন। বুধবার সকালে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। রিপোর্টার উৎপল দাস গত ১০ অক্টোবর ঢাকার মতিঝিলের অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ। এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। অন্যদিকে ৭ নভেম্বর সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নেওয়ার পর বিকেল থেকে সিজারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এর পর থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ মিলছে না। সম্প্রতি নিখোঁজ সিজারকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অচিরেই তাঁকে উদ্ধার করা হবে। তিনি জানান, অনেক নিখোঁজের ঘটনাকে প্রথমে গুম বলা হয়। কিন্তু পরে দেখা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তি নিজে থেকেই ফিরে এসেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুমের সংখ্যা, নিখোঁজের সংখ্যা আপনি যদি বলেন, আমি সেই একই কথা বলব, আমাদের সময়ে এই সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এখন যে একটি আলোচিত একজন হয়ে গেছেন, আমাদের গোয়েন্দারা চেষ্টা করছেন তাঁকে উদ্ধার করার জন্য। আমি আশা করি, যেকোনো সময় উদ্ধার হয়ে যাবে। মন্ত্রী জানান, রংপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে যার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনার সূত্রপাত, তাকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, উৎপল দাসের সন্ধান দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে নরসিংদী জেলা সাংবাদিক সমিতি। নিখোঁজ উৎপল দাস এ সংগঠনের দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয় নরসিংদী জেলা সাংবাদিক সমিতির একটি প্রতিনিধি দল। উৎপল দাস গত ১০ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে কাজ শেষে অফিস থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ। তার সন্ধান চেয়ে তার পত্রিকা অফিস ও পরিবারের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় পৃথক দুটি জিডি করা হয়েছে। দীর্ঘ একমাস অতিবাহিত হলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও শঙ্কিত। পরিবারের সদস্যরা তাকে হারানোর বেদনায় খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে ভেঙে পড়েছেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে তার সন্ধান চাওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উৎপলের সন্ধান চাওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তার কোনো হদিস জানাতে পারেনি।