মৎস খামারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়নি পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, তাই গোপনে মসজিদ থেকে অবৈধ ভাবে সংযোগ দেয়া হয় খামারে, আর এই অবৈধ সংযোগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে করুন মৃত্যু হলো ইসমাইল হোসেন প্রকাশ্যে বানা (৬০) নামে এক বৃদ্ধের। বুধবার বিকেলে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের ভারিকোটা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের ভারিকোটা গ্রামের হত্যা মামলার আসামী মোহন মিয়া মেম্বার দীর্ঘ দিন ধরে পলাতক থাকায় তাঁর মালিকানাধীন মৎস খামারটি বন্ধ অবস্থায় থাকে। সম্প্রতি সময়ে মোহন মিয়ার নির্দেশে পাশ্ববর্তী লোধন গ্রামের জনৈক সুলতান আহাম্মদ বন্ধ মৎস খামারটিকে চালু করে। মৎস খামারটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় পাশ্ববর্তী এক মসজিদ থেকে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়। বুধবার সকালে খামারটিতে দৈনিক মজুরী ভিত্তিতে কাজ করার জন্য শ্রমিক হিসেবে পাশ্ববর্তী শিকারপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আমিনুদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন প্রকাশ্যে বানা (৬০) কাজে আনে সুলতান আহাম্মদ। সকাল থেকে খমারের বিভিন্ন কাজ করে বৃদ্ধ ইসমাইল হোসেন। বিকেল ৫ টায় ওই এলাকার নান্নু মিয়ার স্ত্রী জেসমিন আক্তার খামারের মধ্যে থাকা একটি মেশিন ঘরের পাশ দিয়ে যওয়ার সময় ইসমাইল হোসেনের দেহ মাটিতে পরে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসে। এসময় ইসমাইল হোসেনের দেহে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে থাকতে দেখে মসজিদে গিয়ে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে স্থানীয়রা। নিহত ইসমাইল হোসেনের দুই ছেলে, দুই মেয়ে ও এক স্ত্রী রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী জরিনা বেগম জানান, লোক মূখে সংবাদ পেয়ে বিকেল সাড়ে ৫ টায় মৎস খামারের মেশিন ঘরে গিয়ে আমার স্বামীর মৃতদেহ দেখতে পাই। আমার স্বামীর পিঠের ডান পাশেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে চামড়া ছিলা পোড়া ছিল। জরিনা বেগম আরো জানান, আমার স্বামী কাজে আসতে চাচ্ছিলনা, সুলতান আহাম্মদ জোর পূর্বক আমার স্বামীকে কাজে নিয়ে আসে। আমির আমার স্বামীর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ীর এস আই মোহাম্মদ শাহিন কাদির জানান, খবর পেয়ে নিহতের বাড়ী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
বিবি/ইএম





















