০১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সাতক্ষীরার তালায় ইউএলএও এর যোগসাজশে সরকারী সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা গ্রামের বড়বিলা মৌজায় ১ একর ৩২ শতক খাস খতিয়ানের সম্পত্তি একটি প্রভাবশালী মহল চক্রান্তমূলকভাবে দখল করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে প্রভাবশালী মহলের বশিরউদ্দীন খার পুত্র আকবর খা, সহিলউদ্দীন খার পুত্র জিয়া খা খাস খতিয়ানের সম্পত্তিতে পাঁচিল নির্মাণপূর্বক দখল করেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী বিষয়টি তালা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পাটকেলঘাটা ইউএলএও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে একই এলাকার সুমন শেখ, হান্নান গাজী, মনির গাজী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঐ অভিযোগে উল্লেখ করা হয় নালিশী সম্পত্তি ১৬৭১ দাগ ও ১৬৭৩ দাগে ১ একর ৩২ শতক জমি ১নং খাস খতিয়ানের। যেখানে খেলার মাঠ, মসজিদ ও যাতায়াতের রাস্তা বিদ্যমান। কিন্তু কু-চক্রী মহলটি ঐ দাগে দখল নিয়ে খাস খতিয়ানের সম্পত্তি ১৬৭৪ দাগে রয়েছে বলে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে দখল বজায় রেখেছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক গত ২৪/০৭/২০১৯ তারিখে একটি নির্দেশনা প্রদান করেছেন পাটকেলঘাটা ইউএলএও কর্মকর্তাকে। ঐ নির্দেশনায় বলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা বন্ধ করে লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করতে। কিন্তু তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় দূর্নীতিপরায়ন একাধিক অপকর্মের হোতা পাটকেলঘাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমীর হোসেন চৌধুরী দখলদারদের পক্ষ নিয়ে খাস খতিয়ানের সম্পত্তি ভোগদখলের সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমীর হোসেন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা প্রতিবেদন তৈরী হয়েছে। যেকারণে ১৬৩৪ ও ১৬৭৩ দাগে মাপজরীপ সম্পন্ন করা হয়েছে। সময় না থাকায় ১৬৭১ দাগ মাপজরীপ করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক নির্দেশ দিয়েছেন অবৈধ স্থাপনা বন্ধ করে লিখিত প্রতিবেদন পাঠাতে। সেটা না করে কেন মাপজরীপ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলে পাঁচিল নির্মাণ করা তো হয়েই গেছে। এখানে আমার কি’বা করা আছে ? তবে প্রতিবেদনের ভিতরে পাঁচিল নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয় শেখ আলী আকবর ও আব্দুল শেখ আব্দুল মালেক ১৬৭১ ও ১৬৭৩ দাগে তাদের রেকর্ডীয় ও ভোগদখলীয় স্বত্ত্ব দাবী করেছেন। যা উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

সাতক্ষীরার তালায় ইউএলএও এর যোগসাজশে সরকারী সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৫:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০১৯

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা গ্রামের বড়বিলা মৌজায় ১ একর ৩২ শতক খাস খতিয়ানের সম্পত্তি একটি প্রভাবশালী মহল চক্রান্তমূলকভাবে দখল করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে প্রভাবশালী মহলের বশিরউদ্দীন খার পুত্র আকবর খা, সহিলউদ্দীন খার পুত্র জিয়া খা খাস খতিয়ানের সম্পত্তিতে পাঁচিল নির্মাণপূর্বক দখল করেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী বিষয়টি তালা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পাটকেলঘাটা ইউএলএও বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে একই এলাকার সুমন শেখ, হান্নান গাজী, মনির গাজী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঐ অভিযোগে উল্লেখ করা হয় নালিশী সম্পত্তি ১৬৭১ দাগ ও ১৬৭৩ দাগে ১ একর ৩২ শতক জমি ১নং খাস খতিয়ানের। যেখানে খেলার মাঠ, মসজিদ ও যাতায়াতের রাস্তা বিদ্যমান। কিন্তু কু-চক্রী মহলটি ঐ দাগে দখল নিয়ে খাস খতিয়ানের সম্পত্তি ১৬৭৪ দাগে রয়েছে বলে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে দখল বজায় রেখেছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক গত ২৪/০৭/২০১৯ তারিখে একটি নির্দেশনা প্রদান করেছেন পাটকেলঘাটা ইউএলএও কর্মকর্তাকে। ঐ নির্দেশনায় বলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা বন্ধ করে লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করতে। কিন্তু তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় দূর্নীতিপরায়ন একাধিক অপকর্মের হোতা পাটকেলঘাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমীর হোসেন চৌধুরী দখলদারদের পক্ষ নিয়ে খাস খতিয়ানের সম্পত্তি ভোগদখলের সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমীর হোসেন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা প্রতিবেদন তৈরী হয়েছে। যেকারণে ১৬৩৪ ও ১৬৭৩ দাগে মাপজরীপ সম্পন্ন করা হয়েছে। সময় না থাকায় ১৬৭১ দাগ মাপজরীপ করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক নির্দেশ দিয়েছেন অবৈধ স্থাপনা বন্ধ করে লিখিত প্রতিবেদন পাঠাতে। সেটা না করে কেন মাপজরীপ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলে পাঁচিল নির্মাণ করা তো হয়েই গেছে। এখানে আমার কি’বা করা আছে ? তবে প্রতিবেদনের ভিতরে পাঁচিল নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয় শেখ আলী আকবর ও আব্দুল শেখ আব্দুল মালেক ১৬৭১ ও ১৬৭৩ দাগে তাদের রেকর্ডীয় ও ভোগদখলীয় স্বত্ত্ব দাবী করেছেন। যা উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম