০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে আগুনে ৩০ দোকান পুড়ে ছাই

নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনী রেলস্টেশনের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৩০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার রাত দেড়টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করে।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার হুমায়ুন কার্নায়েল জানান, রাত দেড়টার দিকে চৌমুহনী রেলস্টেশনের পূর্ব-দক্ষিণ পাশের মার্কেটগুলোতে আগুন লাগে।

খবর পেয়ে চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটসহ জেলা সদর মাইজদী, সোনাইমুড়ী, কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনী থেকে মোট সাতটি ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য ঘটনাস্থলে আসে।

তিনি জানান, ইউনিটগুলো প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাখমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ২৫ থেকে ৩০টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে।

হুমায়ুন কার্নায়েল আরও জানান, পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বেশিরভাগ ক্রোকারিজ, প্লাস্টিকের সামগ্রী, এলুমিনিয়াম ও ওষুধ সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

গত মাসে একই মার্কেটের পূর্ব-উত্তর পাশে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এক মাস না যেতেই আবার একই ঘটনা ঘটল।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি মারা গেছেন

নোয়াখালীতে আগুনে ৩০ দোকান পুড়ে ছাই

প্রকাশিত : ১০:২০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯

নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনী রেলস্টেশনের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৩০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার রাত দেড়টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করে।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার হুমায়ুন কার্নায়েল জানান, রাত দেড়টার দিকে চৌমুহনী রেলস্টেশনের পূর্ব-দক্ষিণ পাশের মার্কেটগুলোতে আগুন লাগে।

খবর পেয়ে চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটসহ জেলা সদর মাইজদী, সোনাইমুড়ী, কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনী থেকে মোট সাতটি ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য ঘটনাস্থলে আসে।

তিনি জানান, ইউনিটগুলো প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা করার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাখমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ২৫ থেকে ৩০টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে।

হুমায়ুন কার্নায়েল আরও জানান, পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বেশিরভাগ ক্রোকারিজ, প্লাস্টিকের সামগ্রী, এলুমিনিয়াম ও ওষুধ সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো জানা সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

গত মাসে একই মার্কেটের পূর্ব-উত্তর পাশে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এক মাস না যেতেই আবার একই ঘটনা ঘটল।

বিবি/জেজে