২২ শ্রাবণ, ৬ আগস্ট (মঙ্গলবার) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৮তম মহা প্রয়াণ দিবস আজ। জাতি আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁকে স্মরণ করবে।
রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের ৭৮-তমপ্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলা অ্যাকাডেমি এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকাল চারটায় শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে সেমিনারের আয়োজন করেছে। এতে মূলপ্রবন্ধ পাঠ করবেন অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা অ্যাকাডেমির সভাপতি ড. আানিসুজ্জামান।
বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও নাটক প্রচার করবে। এছাড়াও বিশ্বকবির প্রয়ান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন আগামীকাল বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।
বিশ্বব্যাপী রবিভক্তদের কাছে বাইশে শ্রাবণ দিনটি শোকের, শূন্যতার। রবীন্দ্র কাব্যসাহিত্যের বিশাল একটি অংশে যে পরমার্থের সন্ধান করেছিলেন, সেই পরমার্থের সঙ্গে তিনি লীন হয়েছিলেন এদিন।
রবীন্দ্রকাব্যে মৃত্যু এসেছে বিভিন্নভাবে। জীবদ্দশায় মৃত্যুকে তিনি জয় করেছেন বারবার। মৃত্যুবন্ধনা করেছেন তিনি এভাবে- ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান। মেঘবরণ তুঝ, মেঘ জটাজুট! রক্ত কমলকর, রক্ত-অধরপুট, তাপ বিমোচন করুণ কোর তব মৃত্যু-অমৃত করে দান ॥’
রবীন্দ্র গবেষক ড. মাসুদুজ্জামান বলেন, বহু বিচিত্র ভাব এবং বহু বিচিত্র বিষয়ের মধ্য দিয়ে সেই ভাবকে প্রকাশ করা, ব্যক্ত করা; এটা রবীন্দ্রনাথের আগে আমরা ব্যাপকভাবে পাই না। অনেক কিছুই তার মাধ্যমে প্রথম ব্যক্ত হয়েছে।
রবী ঠাকুর বিচিত্র কর্মধারার মধ্যে সবধরনের আত্ম অহং জলাঞ্জলি দিয়ে সর্বাঙ্গীণ মনুষ্যত্বের প্রতীক হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছিলেন।
বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ
























