০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‎পল্লবীতে ২ শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারী ক্যাম্প থেকে দুই শিশু সন্তান ও বাবা-মাসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, শিশু সন্তানদের হত্যার পর বাবা-মা আত্মহত্যা করেছে।

‎বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্পের বি-ব্লক এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহতরা হলো মোহাম্মদ মাসুম (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি (৩০), ৪ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও ২ বছর বয়সী ছেলে আসাদ।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের (পল্লবী) বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়। আজ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়েছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন, নিহত ব্যক্তিরা টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতো। স্বামী রিকশা চালাতো এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়েছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসতো। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে।

‎পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহীন আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো ম্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ডিএস./

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

‎পল্লবীতে ২ শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৩:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারী ক্যাম্প থেকে দুই শিশু সন্তান ও বাবা-মাসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, শিশু সন্তানদের হত্যার পর বাবা-মা আত্মহত্যা করেছে।

‎বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্পের বি-ব্লক এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহতরা হলো মোহাম্মদ মাসুম (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি (৩০), ৪ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও ২ বছর বয়সী ছেলে আসাদ।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের (পল্লবী) বি-ব্লকের ৩ নম্বর ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়। আজ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়েছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন, নিহত ব্যক্তিরা টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতো। স্বামী রিকশা চালাতো এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়েছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসতো। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে।

‎পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহীন আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো ম্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ডিএস./