০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ কাশ্মির নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন মোদি

জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৫ আগস্ট বিতর্কিত ধারাটি লোপ করে জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়ার কথা সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়াটি সম্মুখে থেকে প্রায় একা হাতেই সামলেছেন শাহ। এদিকে, ক্যামেরা ও সংসদে মুখ খোলা থেকে বিরত থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনতার আবেগের কথা মাথায় রেখেই ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) , কাশ্মীর নিয়ে জনসমক্ষে ‘ব্যাখ্যা’ দিতে পারেন মোদি ।

কাশ্মীর নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর গতকাল, অর্থাৎ ৭ আগস্ট (বুধবার) বক্তব্য রাখার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে শেষমেশ তা বাতিল হয়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, সরেজমিনে কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে অজিত দোভালের রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন মোদি । ৭ আগস্ট কাশ্মীরে স্থানীয় মানুষদের খোঁজ নেন তাঁদের ক্ষোভ-বিক্ষোভের৷ খতিয়ে দেখেন গোটা নিরাপত্তা পরিকাঠামো। সূত্রের খবর, গতকাল রাতেই সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট চলে আসে প্রধানমন্ত্রীর হাতে৷ ফলে আজ দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ করে কাশ্মীরীদের বার্তা দিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন মোদি। নিজের বক্তব্যে, সরকার কেন এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবং এর সুফল কতটা পাবে উপত্যকা তা বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও মনে করা হচ্ছে। গত ২৭ মার্চ লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন জাতির উদ্দেশে শেষ বক্তব্য পেশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবারে ‘স্যাটেলাইট কিলার’ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের কথা ঘোষণা করে তুমুল আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন মোদি। তাই এবারের ভাষণেও যে অন্য কোনও চমক থাকতে পারে, সেই সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা রদ হওয়ার পর কাশ্মীরবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। উপত্যকার বাসিন্দাদের স্যালুট জানিয়ে নয়া দিশা উন্মুক্ত করার কথা বলেছিলেন মোদি । তারপর থেকে অবশ্য বিশেষ কিছু বলেননি তিনি। বিরোধীদের প্রবল সমালোচনা ও দাবি সত্বেও প্রধানমন্ত্রী মৌন থেকেছেন। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মোদি-শাহ জুটির ‘মোডাস অপারেন্ডি’ বা কাজ করার পদ্ধতি এমনই। কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তার খুঁটিনাটি তথ্য জেনে ও পরবর্তী পরিস্থিত পাশাপাশি বিরোধীদের চাল বিশ্লেষণ করেই মাঠে নামেন তাঁর। পাশাপাশি, যোগ্য সঙ্গত দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নেতৃত্বে আমলাদের একটি বিশ্বস্ত দল। চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শেষমুহূর্তে বিরোধীদের রক্ষণভাগ ভেঙে দেন তাঁরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

আজ কাশ্মির নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন মোদি

প্রকাশিত : ১২:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯

জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৫ আগস্ট বিতর্কিত ধারাটি লোপ করে জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়ার কথা সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়াটি সম্মুখে থেকে প্রায় একা হাতেই সামলেছেন শাহ। এদিকে, ক্যামেরা ও সংসদে মুখ খোলা থেকে বিরত থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনতার আবেগের কথা মাথায় রেখেই ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) , কাশ্মীর নিয়ে জনসমক্ষে ‘ব্যাখ্যা’ দিতে পারেন মোদি ।

কাশ্মীর নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর গতকাল, অর্থাৎ ৭ আগস্ট (বুধবার) বক্তব্য রাখার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে শেষমেশ তা বাতিল হয়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, সরেজমিনে কাশ্মীরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে অজিত দোভালের রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিলেন মোদি । ৭ আগস্ট কাশ্মীরে স্থানীয় মানুষদের খোঁজ নেন তাঁদের ক্ষোভ-বিক্ষোভের৷ খতিয়ে দেখেন গোটা নিরাপত্তা পরিকাঠামো। সূত্রের খবর, গতকাল রাতেই সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট চলে আসে প্রধানমন্ত্রীর হাতে৷ ফলে আজ দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ করে কাশ্মীরীদের বার্তা দিয়ে বক্তব্য রাখতে পারেন মোদি। নিজের বক্তব্যে, সরকার কেন এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবং এর সুফল কতটা পাবে উপত্যকা তা বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও মনে করা হচ্ছে। গত ২৭ মার্চ লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন জাতির উদ্দেশে শেষ বক্তব্য পেশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবারে ‘স্যাটেলাইট কিলার’ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের কথা ঘোষণা করে তুমুল আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন মোদি। তাই এবারের ভাষণেও যে অন্য কোনও চমক থাকতে পারে, সেই সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা রদ হওয়ার পর কাশ্মীরবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। উপত্যকার বাসিন্দাদের স্যালুট জানিয়ে নয়া দিশা উন্মুক্ত করার কথা বলেছিলেন মোদি । তারপর থেকে অবশ্য বিশেষ কিছু বলেননি তিনি। বিরোধীদের প্রবল সমালোচনা ও দাবি সত্বেও প্রধানমন্ত্রী মৌন থেকেছেন। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মোদি-শাহ জুটির ‘মোডাস অপারেন্ডি’ বা কাজ করার পদ্ধতি এমনই। কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তার খুঁটিনাটি তথ্য জেনে ও পরবর্তী পরিস্থিত পাশাপাশি বিরোধীদের চাল বিশ্লেষণ করেই মাঠে নামেন তাঁর। পাশাপাশি, যোগ্য সঙ্গত দেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নেতৃত্বে আমলাদের একটি বিশ্বস্ত দল। চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শেষমুহূর্তে বিরোধীদের রক্ষণভাগ ভেঙে দেন তাঁরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ