০১:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্যই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগে বিদ্যালয়ের কয়েকজন নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে পড়াশুনা করানোর মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হতো। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হতো। সরকার কয়েকজন বাছাইকৃত শিক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে সকলে যেন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে এ জন্য বর্তমান পদ্ধতি চালু করেছে।

সংসদে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ পয়েন্ট অর্ডারে পরীক্ষা পদ্ধতির বিষয়টি উত্থাপন করলে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের পর একজন শিক্ষার্থী যখন একটি সার্টিফিকেট হাতে পান তখন তাদের মনে আনন্দ, আত্মতৃপ্তি ও মনোবল সৃষ্টি হয়। এতে পরবর্তীতে তারা যখন এএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় তখন তাদের মধ্যে এই মনোবলটা কাজ করে। পরীক্ষা সম্পর্কে ভীতি দূর হয়। এতে তাদের পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার পাশাপাশি কে কোন বিষয়ে পরবর্তীতে পড়াশুনা করবে এই বিষয়টিও নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

এ বিষয়ে রিট করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা কথায় কথায় আদালতে রিট দায়ের করে। এতোসব বিষয় থাকতে শিক্ষা নিয়ে তাদের এই রিট অত্যন্ত দুঃখজনক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রিটে আদালত কি রায় দেবে জানিনা, তবে শিক্ষার বিরুদ্ধে যদি রায় দেয়, এটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের কল্যাণের জন্য এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সরকার বৃত্তির প্রসার ঘটিয়ে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করছে। কোন দিন দেখা যাবে সরকার কেন বৃত্তি দিচ্ছে এ ব্যাপারেও একটি রিট দায়ের হয়েছে। কারণ এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যাদের কাজই হচ্ছে কথায় কথায় রিট করা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০:০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্যই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগে বিদ্যালয়ের কয়েকজন নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে পড়াশুনা করানোর মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হতো। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হতো। সরকার কয়েকজন বাছাইকৃত শিক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে সকলে যেন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে এ জন্য বর্তমান পদ্ধতি চালু করেছে।

সংসদে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ পয়েন্ট অর্ডারে পরীক্ষা পদ্ধতির বিষয়টি উত্থাপন করলে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের পর একজন শিক্ষার্থী যখন একটি সার্টিফিকেট হাতে পান তখন তাদের মনে আনন্দ, আত্মতৃপ্তি ও মনোবল সৃষ্টি হয়। এতে পরবর্তীতে তারা যখন এএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় তখন তাদের মধ্যে এই মনোবলটা কাজ করে। পরীক্ষা সম্পর্কে ভীতি দূর হয়। এতে তাদের পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার পাশাপাশি কে কোন বিষয়ে পরবর্তীতে পড়াশুনা করবে এই বিষয়টিও নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

এ বিষয়ে রিট করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যারা কথায় কথায় আদালতে রিট দায়ের করে। এতোসব বিষয় থাকতে শিক্ষা নিয়ে তাদের এই রিট অত্যন্ত দুঃখজনক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রিটে আদালত কি রায় দেবে জানিনা, তবে শিক্ষার বিরুদ্ধে যদি রায় দেয়, এটা হবে অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তিনি বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের কল্যাণের জন্য এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সরকার বৃত্তির প্রসার ঘটিয়ে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করছে। কোন দিন দেখা যাবে সরকার কেন বৃত্তি দিচ্ছে এ ব্যাপারেও একটি রিট দায়ের হয়েছে। কারণ এক শ্রেণীর লোক রয়েছে যাদের কাজই হচ্ছে কথায় কথায় রিট করা।