০৭:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশের পরাজয়

মোহাম্মদ নবির ঝড়ো ইনিংসের পরও লক্ষ্যটা নাগালেই ছিল। তবে মুজিব উর রহমানের দারুণ বোলিং আর ব্যাটসম্যানদের বাজে ব্যাটিংয়ের জন্য পেরে উঠলো না বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৫ রানে হারল সাকিব আল হাসানের দল।

রশিদের দ্বিতীয় শিকার মোসাদ্দেক

তিন বলের মধ্যে দ্বিতীয়বার আঘাত হানলেন রশিদ খান। দারুণ এক গুগলিতে বোল্ড করে দিলেন মোসাদ্দেক হোসেনকে।

অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল লেগে ঘুরাতে চেয়েছিলেন মোসাদ্দেক। গুগলি বুঝতে পারেননি। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। ১০ বলে ১ চারে ১২ রান করেন মোসাদ্দেক।

১৮.৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২৪/৯।

সাইফকে ফেরালেন রশিদ

বোলিংয়ে ফিরেই আঘাত হানলেন রশিদ খান। ফিরিয়ে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে।

লেগ স্পিনারকে ওড়াতে চেয়েছিলেন সাইফ। টাইমিং করতে পারেননি। পিছিয়ে গিয়ে নিজেই ক্যাচ নেন রশিদ।

৩ বলে ২ রান করেন সাইফ। ১৮.১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২০/৮।

এবার পারলেন না আফিফ

আগের ম্যাচে বিস্ফোরক এক ইনিংসে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া আফিফ হোসেন এবার পারলেন না। গুলবাদিন নাইবকে ওড়ানোর চেষ্টায় ধরা পড়লেন লং অফে।

একের পর এক স্লোয়ার করে যাচ্ছেন নাইব। তার বলে টাইমিং করতে ভুগছেন ব্যাটসম্যানরা। আফিফ চেষ্টা করেছিলেন লং অফ দিয়ে ওড়ানোর। তবে সীমানায় চমৎকার ক্যাচ নেন নাজিবউল্লাহ জাদরান।

১৪ বলে দুই চারে ১৬ রান করেন আফিফ। ১৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২০/৭। ক্রিজে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গী মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

রশিদের ব্যর্থ রিভিউ

জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন রশিদ খান। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় পিচ করেছিল লেগ স্টাম্পের বাইরে। শেষ হয়ে যায় আফগানদের রিভিউ।

১৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১১৪/৬। আফিফ ১৬ ও মোসাদ্দেক হোসেন ৫ রানে ব্যাট করছেন।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন আফিফ

আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন আফিফ হোসেন। রশিদ খানের বল রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পরপরই রিভিউ নেন। স্নিকোতে দেখা যায় গ্লাভসে লেগেছিল বল। সে সময় ১৫ রানে ছিলেন আফিফ।

মুজিবের চতুর্থ শিকার সাব্বির

মাহমুদউল্লাহর পর ফিরে গেলেন সাব্বির রহমান। ডানহাতি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট নিলেন মুজিব উর রহমান।

বেরিয়ে এসে অফ স্পিনারকে ওড়াতে চেয়েছিলেন সাব্বির। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় সহজ ক্যাচ নেন গুলবাদিন নাইব।

২৭ বলে এক চারে ২৪ রান করেন সাব্বির। ১৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯৭/৬। ক্রিজে আফিফ হোসেনের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।

স্লোয়ারে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ

জুটি ভাঙলেন গুলবাদিন নাইব। দারুণ এক স্লোয়ারে ফিরিয়ে দিলেন মাহমুদউল্লাহকে।

রানের গতি বাড়াতে ছটফট করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন নাইবকে। টাইমিং হয়নি, সহজ ক্যাচ মুঠোয় নেন নাজিব তারাকাই। ভাঙে ৫৮ রানের জুটি।

৩৯ বলে ৫ চারে ৪৪ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ১৪ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯৪/৫। ক্রিজে সাব্বির রহমানের সঙ্গী আফিফ হোসেন।

মাহমুদউল্লাহ-সাব্বিরের পঞ্চাশ রানের জুটি

দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে টানছেন মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমান। ৪৪ বলে উপহার দিয়েছেন ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি।

এক-দুই নিয়ে খেলছেন সাব্বির। এখনও কোনো বাউন্ডারি আসেনি তার ব্যাট থেকে। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে পাঁচটি বাউন্ডারি।

১২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৮২/৪। সাব্বির ১৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৪২ রানে ব্যাট করছেন।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির

রশিদ খানের বলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির রহমান।

রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। আম্পায়ার জোরালো আবেদনে সাড়া দেওয়া মাত্র রিভিউয়ের ইশারা দেন সাব্বির।

স্নিকোতে পাওয়া যায় গ্লাভসে বল লাগার প্রমাণ। পাল্টায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। সে সময় ৮ রানে ছিলেন সাব্বির।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫৯/৪। আফগানিস্তানের স্কোর ছিল ৬০/৪। শেষ ওভারে আফগানরা তুলেছিল ১০৪ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৭ ও সাব্বির ৯ রানে ব্যাট করছেন।

গোল্ডেন ডাক সৌম্য

পাঁচে নেমে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পেলেন সৌম্য সরকার। সাকিব আল হাসানের পর একই ওভারে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকেও ফিরিয়ে দিলেন মুজিব উর রহমান।

এই অফ স্পিনারের ওভারের স্রেফ একটি বল বাকি ছিল। ঠিক মতো খেলতে পারলেন না সৌম্য। সোজা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩২/৪। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী সাব্বির রহমান।

সাকিবকে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে টানতে পারলেন না সাকিব আল হাসান। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন অধিনায়ক।

আফগান অফ স্পিনারের বল স্টাম্প ছেড়ে খেলছিলেন সাকিব। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে অনুসরণ করে বল করছিলেন মুজিব। তেমন এক বলে মিড অনে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সাকিব। ১৩ বলে দু্ই চারে ১৫ রান করেন তিনি।

স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড মুশফিক

আগের বলে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। পরের বলে খেলতে গেলেন পাগলাটে এক শট। ব্যাটে-বলে করতে না পেরে ফিরলেন বোল্ড হয়ে।

স্টাম্পে থাকা ফরিদ আহমেদের বল স্কুপ করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। লাইন মিস করায় এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। অথচ এই ওভারের প্রথম চার বল থেকে এসেছিল ৯ রান, ঝুঁকির কোনো প্রয়োজন ছিল না।

২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২/২। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

শুরুতেই আউট লিটন

আফগানিস্তান উইকেট হারিয়েছিল ইনিংসের প্রথম বলে। বাংলাদেশ হারাল দ্বিতীয় বলে। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন লিটন দাস।

পা বাড়িয়ে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। স্পিন করে ভেতরে ঢোকার বদলে বল বেরিয়ে যাওয়ায় টাইমিং করতে পারেননি। ক্যাচ মুঠোয় জমান নাজিব তারাকাই।

দুই বলে শূন্য রান করেন লিটন। ১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২/১। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী সাকিব আল হাসান।

শুরুতেই চমক, ওপেনিংয়ে মুশফিক

রান তাড়ায় শুরুতেই চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের জায়গায় লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে পাঠিয়েছে মুশফিকুর রহিমকে।

ওয়ানডেতে একবার ইনিংস উদ্বোধন করেছিলেন মুশফিক। সেই ম্যাচে করেছিলেন ৯৮ রান। টি-টোয়েন্টিতে তিন ম্যাচে তিনে নেমেছেন। এই প্রথম ইনিংস উদ্বোধন করলেন।

নবি ঝড়ে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য

মোহাম্মদ নবির বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি গড়েছে আফগানিস্তান। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের পরও ১৬৫ রানের লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ।

৫৪ বলে ৭ ছক্কা ও তিন চারে নবির অপরাজিত ৮৪ রানের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৬৪ রান করেছে আফগানিস্তান। নবির ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ১০৪ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। প্রথম ১০ ওভারে তারা তুলেছিল ৬০।

৩৩ রানে ৪ উইকেট নেন সাইফ। তার আগের সেরা ছিল ২/৫৩। সাকিব ২ উইকেট নেন ১৮ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৬৪/৬ (রহমানউল্লাহ ০, জাজাই ১, নাজিব ১১, আসগর ৪০, নাজিবউল্লাহ ৫, নবি ৮৪*, নাইব ০, জানাত ৫*; সাইফ ৪-০-৩৩-৪, সাকিব ৪-১-১৮-২, মুস্তাফিজ ৪-০-২৫-০, তাইজুল ৪-০-৩২-০, সৌম্য ২-০-৩১-০, মোসাদ্দেক ১-০-১২-০, মাহমুদউল্লাহ ১-০-৩-০)

ছক্কায় নবির ফিফটি

দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিচ্ছেন মোহাম্মদ নবি। সৌম্য সরকারকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৪১ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

সৌম্যর সেই ওভারে আরও একটি ছক্কা ও দুটি চার হাঁকান নবি। ওভার থেকে আসে ২২ রান। ইনিংসে এটাই সবচেয়ে খরুচে ওভার।

১৮ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১৪৪/৬। নবি ৬৮ ও করিম জানাত ২ রানে ব্যাট করছেন।

সাইফের জোড়া আঘাত

জুটি ভাঙার পর সেই ওভারে আবার আঘাত হানলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। গুলবাদিন নাইবকে বোল্ড করে নিলেন নিজের চতুর্থ উইকেট।

লেংথ বলের লাইন মিস করেন নাইব। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। দুই বলে শূন্য রানে ফিরেন এই অলরাউন্ডার।

১৭ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১২২/৬। ক্রিজে মোহাম্মদ নবির সঙ্গী করিম জানাত।

ফিরেই জুটি ভাঙলেন সাইফ

বোলিংয়ে ফিরেই দ্রুত এগোনো জুটি ভেঙেছেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। দারুণ এক স্লোয়ারে ফিরিয়ে দিয়েছেন আসগর আফগানকে।

স্লোয়ার বুঝতে পারেননি আসগর। লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন। বেশ উপরে ওঠে যাওয়া ক্যাচ এগিয়ে মুঠোয় জমান সাব্বির রহমান। ভাঙে ৭৯ রানের জুটি।

৩৬ বলে দুই ছক্কা ও তিন চারে ৪০ রান করেন আসগর।

তাইজুলের নো বলে বাঁচলেন আসগর

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি প্রায় ভেঙে ফেলেছিলেন তাইজুল ইসলাম। তবে তার নো বলের জন্য বেঁচে যান আসগর আফগান। সে সময় ৩১ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি।

পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে স্লগ করেছিলেন আসগর। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় ক্যাচ মুঠোয় জমান লিটন দাস। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি ছিল ‘নো’।

সেই ওভারে একশ স্পর্শ করে আফগানিস্তানের সংগ্রহ। নিজের প্রথম ৩ ওভারে ১৬ রান দেওয়া তাইজুল শেষ ওভারে দেন ১৬ রান।

নবি-আসগরের পঞ্চাশ রানের জুটি

দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া আফগানিস্তানকে টানছেন আসগর আফগান ও মোহাম্মদ নবি। পঞ্চম উইকেটে উপহার দিয়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

৪৩ বলে ইনিংসে প্রথম অর্ধশত রানের জুটি পায় আফগানিস্তান। এর শেষ ৩০ রান আসে মাত্র ১৮ বলে।

১৩ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৯০/০। দুই ব্যাটসম্যানই ২৯ রানে ব্যাট করছেন।

পাওয়ার প্লেতে আফগানদের ৪ উইকেট

লক্ষ্যটা নাগালে রাখতে পাওয়ার প্লেতে উইকেট চেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। স্বাগতিকরা প্রথম ৬ ওভারে ফিরিয়ে দিয়েছে আফগানদের চার ব্যাটসম্যানকে।

৬ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৪১/৪। আসগর আফগান ১০ ও মোহাম্মদ নবি ১ রানে ব্যাট করছেন।

অতিরিক্ত থেকে ১৩ রান পেয়েছে সফরকারীরা। সাকিবের বলে বাই থেকে এসেছে দুটি বাউন্ডারি।

সাকিব ও সাইফ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তেড়েফুঁড়ে মারার চেষ্টায় ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। তবে দারুণ লাইন, লেংথে বোলিং করে তাদের ডানা মেলতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা।

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার নাজিবউল্লাহ

আফগানদের জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা ভেস্তে দিলেন সাকিব আল হাসান। ফিরিয়ে দিলেন আগের ম্যাচে খুনে ব্যাটিংয়ে ফিফটি করা নাজিবউল্লাহ জাদরানকে।

বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে আর্ম বল করে যাচ্ছিলেন সাকিব। আগের বলে হজম করেছিলেন চার। তবুও সরেননি পরিকল্পনা থেকে। অমনই একটি আর্ম বল ওড়ানোর চেষ্টায় মিড অফে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন নাজিবউল্লাহ।

৬ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৪১/৪। ক্রিজে আসগর আফগানের সঙ্গী মোহাম্মদ নবি।

ছক্কার পর অক্কা নাজিব

আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন নাজিব তারাকাই। তবে শেষ হাসি হাসলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। পরের বলেই আফগান টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিলেন এই পেসার।

ক্রিজে যাওয়ার পর থেকে শট খেলছিলেন নাজিব। সেভাবে টাইমিং করতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে হাঁকান বিশাল এক ছক্কা। পরের বলে আবার একই চেষ্টা করতে গিয়ে ঠিক মতো খেলতে পারেননি। মিডউইকেট সীমানায় ক্যাচ মুঠোয় জমান সাব্বির রহমান।

১২ বলে এক ছক্কায় ১১ রান করেন নাজিব। ৩ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১৯/৩। ক্রিজে আসগর আফগানের সঙ্গী নাজিবউল্লাহ জাদরান।

প্রথম ওভারে উইকেট পেলেন সাকিবও

একটুর জন্য নিজের প্রথম বলে উইকেট পাননি সাকিব আল হাসান। তবে সাফল্যের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বাঁহাতি এই স্পিনারকে। সেই ওভারেই হজরতউল্লাহ জাজাইকে ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

সাকিবকে স্লগ করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন জাজাই। টাইমিং করতে পারেননি। মিডউইকেটে বেশ কিছুটা এগিয়ে অনেক উপরে উঠে যাওয়া ক্যাচ মুঠোয় জমান লিটন দাস।

২ বলে ১ রান করেন জাজাই। ২ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১০/২। ক্রিজে নাজিব তারাকাইয়ের সঙ্গী আসগর আফগান।

প্রথম বলেই সাইফের আঘাত

দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বোল্ড করে ফিরিয়ে দিলেন আগের ম্যাচে ঝড় তোলা রহমানউল্লাহ গুরবাজকে।

মিডল স্টাম্পে পড়া বল পা বাড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন আফগান ওপেনার। সুইং করে বেরিয়ে যাওয়া বলের নাগাল পাননি। ব্যাটের কানা এড়িয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে।

গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পান রহমানউল্লাহ। ১ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৫/১। ক্রিজে হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের সঙ্গী নাজিব তারাকাই।

আফগানিস্তান একাদশেও নেই পরিবর্তন

বাংলাদেশের মতো আফগানিস্তানও খেলছে একই একাদশ নিয়ে। জিম্বাবুয়েকে হারানো দলটির ওপরই আস্থা রেখেছে দলটি।

আফগানিস্তান: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, হজরতউল্লাহ জাজাই, নাজিব তারাকাই, আসগর আফগান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, করিম জানাত, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, ফরিদ আহমেদ, মুজিব উর রহমান।

একই একাদশ নিয়ে বাংলাদেশ

ইয়াসিন আরফাতের চোটে শেষ মুহূর্তে আবু হায়দারকে দলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে একাদশে জায়গা হয়নি বাঁহাতি এই পেসারের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা এক্দশে কোনো পরিবর্তন আনেনি স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশ: সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, লিটস দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, তাইজুল ইসলাম, সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশের পরাজয়

প্রকাশিত : ১০:১১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মোহাম্মদ নবির ঝড়ো ইনিংসের পরও লক্ষ্যটা নাগালেই ছিল। তবে মুজিব উর রহমানের দারুণ বোলিং আর ব্যাটসম্যানদের বাজে ব্যাটিংয়ের জন্য পেরে উঠলো না বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৫ রানে হারল সাকিব আল হাসানের দল।

রশিদের দ্বিতীয় শিকার মোসাদ্দেক

তিন বলের মধ্যে দ্বিতীয়বার আঘাত হানলেন রশিদ খান। দারুণ এক গুগলিতে বোল্ড করে দিলেন মোসাদ্দেক হোসেনকে।

অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল লেগে ঘুরাতে চেয়েছিলেন মোসাদ্দেক। গুগলি বুঝতে পারেননি। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। ১০ বলে ১ চারে ১২ রান করেন মোসাদ্দেক।

১৮.৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২৪/৯।

সাইফকে ফেরালেন রশিদ

বোলিংয়ে ফিরেই আঘাত হানলেন রশিদ খান। ফিরিয়ে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে।

লেগ স্পিনারকে ওড়াতে চেয়েছিলেন সাইফ। টাইমিং করতে পারেননি। পিছিয়ে গিয়ে নিজেই ক্যাচ নেন রশিদ।

৩ বলে ২ রান করেন সাইফ। ১৮.১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২০/৮।

এবার পারলেন না আফিফ

আগের ম্যাচে বিস্ফোরক এক ইনিংসে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া আফিফ হোসেন এবার পারলেন না। গুলবাদিন নাইবকে ওড়ানোর চেষ্টায় ধরা পড়লেন লং অফে।

একের পর এক স্লোয়ার করে যাচ্ছেন নাইব। তার বলে টাইমিং করতে ভুগছেন ব্যাটসম্যানরা। আফিফ চেষ্টা করেছিলেন লং অফ দিয়ে ওড়ানোর। তবে সীমানায় চমৎকার ক্যাচ নেন নাজিবউল্লাহ জাদরান।

১৪ বলে দুই চারে ১৬ রান করেন আফিফ। ১৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২০/৭। ক্রিজে মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গী মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

রশিদের ব্যর্থ রিভিউ

জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন রশিদ খান। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় পিচ করেছিল লেগ স্টাম্পের বাইরে। শেষ হয়ে যায় আফগানদের রিভিউ।

১৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১১৪/৬। আফিফ ১৬ ও মোসাদ্দেক হোসেন ৫ রানে ব্যাট করছেন।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন আফিফ

আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন আফিফ হোসেন। রশিদ খানের বল রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পরপরই রিভিউ নেন। স্নিকোতে দেখা যায় গ্লাভসে লেগেছিল বল। সে সময় ১৫ রানে ছিলেন আফিফ।

মুজিবের চতুর্থ শিকার সাব্বির

মাহমুদউল্লাহর পর ফিরে গেলেন সাব্বির রহমান। ডানহাতি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট নিলেন মুজিব উর রহমান।

বেরিয়ে এসে অফ স্পিনারকে ওড়াতে চেয়েছিলেন সাব্বির। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় সহজ ক্যাচ নেন গুলবাদিন নাইব।

২৭ বলে এক চারে ২৪ রান করেন সাব্বির। ১৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯৭/৬। ক্রিজে আফিফ হোসেনের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।

স্লোয়ারে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ

জুটি ভাঙলেন গুলবাদিন নাইব। দারুণ এক স্লোয়ারে ফিরিয়ে দিলেন মাহমুদউল্লাহকে।

রানের গতি বাড়াতে ছটফট করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন নাইবকে। টাইমিং হয়নি, সহজ ক্যাচ মুঠোয় নেন নাজিব তারাকাই। ভাঙে ৫৮ রানের জুটি।

৩৯ বলে ৫ চারে ৪৪ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ১৪ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৯৪/৫। ক্রিজে সাব্বির রহমানের সঙ্গী আফিফ হোসেন।

মাহমুদউল্লাহ-সাব্বিরের পঞ্চাশ রানের জুটি

দ্রুত চার উইকেট হারিয়ে ফেলা দলকে টানছেন মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমান। ৪৪ বলে উপহার দিয়েছেন ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি।

এক-দুই নিয়ে খেলছেন সাব্বির। এখনও কোনো বাউন্ডারি আসেনি তার ব্যাট থেকে। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে পাঁচটি বাউন্ডারি।

১২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৮২/৪। সাব্বির ১৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৪২ রানে ব্যাট করছেন।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির

রশিদ খানের বলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির রহমান।

রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। আম্পায়ার জোরালো আবেদনে সাড়া দেওয়া মাত্র রিভিউয়ের ইশারা দেন সাব্বির।

স্নিকোতে পাওয়া যায় গ্লাভসে বল লাগার প্রমাণ। পাল্টায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। সে সময় ৮ রানে ছিলেন সাব্বির।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫৯/৪। আফগানিস্তানের স্কোর ছিল ৬০/৪। শেষ ওভারে আফগানরা তুলেছিল ১০৪ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৭ ও সাব্বির ৯ রানে ব্যাট করছেন।

গোল্ডেন ডাক সৌম্য

পাঁচে নেমে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পেলেন সৌম্য সরকার। সাকিব আল হাসানের পর একই ওভারে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকেও ফিরিয়ে দিলেন মুজিব উর রহমান।

এই অফ স্পিনারের ওভারের স্রেফ একটি বল বাকি ছিল। ঠিক মতো খেলতে পারলেন না সৌম্য। সোজা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩২/৪। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গী সাব্বির রহমান।

সাকিবকে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে টানতে পারলেন না সাকিব আল হাসান। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন অধিনায়ক।

আফগান অফ স্পিনারের বল স্টাম্প ছেড়ে খেলছিলেন সাকিব। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে অনুসরণ করে বল করছিলেন মুজিব। তেমন এক বলে মিড অনে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সাকিব। ১৩ বলে দু্ই চারে ১৫ রান করেন তিনি।

স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড মুশফিক

আগের বলে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। পরের বলে খেলতে গেলেন পাগলাটে এক শট। ব্যাটে-বলে করতে না পেরে ফিরলেন বোল্ড হয়ে।

স্টাম্পে থাকা ফরিদ আহমেদের বল স্কুপ করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। লাইন মিস করায় এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। অথচ এই ওভারের প্রথম চার বল থেকে এসেছিল ৯ রান, ঝুঁকির কোনো প্রয়োজন ছিল না।

২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২/২। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

শুরুতেই আউট লিটন

আফগানিস্তান উইকেট হারিয়েছিল ইনিংসের প্রথম বলে। বাংলাদেশ হারাল দ্বিতীয় বলে। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন লিটন দাস।

পা বাড়িয়ে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। স্পিন করে ভেতরে ঢোকার বদলে বল বেরিয়ে যাওয়ায় টাইমিং করতে পারেননি। ক্যাচ মুঠোয় জমান নাজিব তারাকাই।

দুই বলে শূন্য রান করেন লিটন। ১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২/১। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী সাকিব আল হাসান।

শুরুতেই চমক, ওপেনিংয়ে মুশফিক

রান তাড়ায় শুরুতেই চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের জায়গায় লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিংয়ে পাঠিয়েছে মুশফিকুর রহিমকে।

ওয়ানডেতে একবার ইনিংস উদ্বোধন করেছিলেন মুশফিক। সেই ম্যাচে করেছিলেন ৯৮ রান। টি-টোয়েন্টিতে তিন ম্যাচে তিনে নেমেছেন। এই প্রথম ইনিংস উদ্বোধন করলেন।

নবি ঝড়ে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য

মোহাম্মদ নবির বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি গড়েছে আফগানিস্তান। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের পরও ১৬৫ রানের লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ।

৫৪ বলে ৭ ছক্কা ও তিন চারে নবির অপরাজিত ৮৪ রানের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৬৪ রান করেছে আফগানিস্তান। নবির ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ১০৪ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। প্রথম ১০ ওভারে তারা তুলেছিল ৬০।

৩৩ রানে ৪ উইকেট নেন সাইফ। তার আগের সেরা ছিল ২/৫৩। সাকিব ২ উইকেট নেন ১৮ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৬৪/৬ (রহমানউল্লাহ ০, জাজাই ১, নাজিব ১১, আসগর ৪০, নাজিবউল্লাহ ৫, নবি ৮৪*, নাইব ০, জানাত ৫*; সাইফ ৪-০-৩৩-৪, সাকিব ৪-১-১৮-২, মুস্তাফিজ ৪-০-২৫-০, তাইজুল ৪-০-৩২-০, সৌম্য ২-০-৩১-০, মোসাদ্দেক ১-০-১২-০, মাহমুদউল্লাহ ১-০-৩-০)

ছক্কায় নবির ফিফটি

দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিচ্ছেন মোহাম্মদ নবি। সৌম্য সরকারকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৪১ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

সৌম্যর সেই ওভারে আরও একটি ছক্কা ও দুটি চার হাঁকান নবি। ওভার থেকে আসে ২২ রান। ইনিংসে এটাই সবচেয়ে খরুচে ওভার।

১৮ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১৪৪/৬। নবি ৬৮ ও করিম জানাত ২ রানে ব্যাট করছেন।

সাইফের জোড়া আঘাত

জুটি ভাঙার পর সেই ওভারে আবার আঘাত হানলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। গুলবাদিন নাইবকে বোল্ড করে নিলেন নিজের চতুর্থ উইকেট।

লেংথ বলের লাইন মিস করেন নাইব। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। দুই বলে শূন্য রানে ফিরেন এই অলরাউন্ডার।

১৭ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১২২/৬। ক্রিজে মোহাম্মদ নবির সঙ্গী করিম জানাত।

ফিরেই জুটি ভাঙলেন সাইফ

বোলিংয়ে ফিরেই দ্রুত এগোনো জুটি ভেঙেছেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। দারুণ এক স্লোয়ারে ফিরিয়ে দিয়েছেন আসগর আফগানকে।

স্লোয়ার বুঝতে পারেননি আসগর। লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন। বেশ উপরে ওঠে যাওয়া ক্যাচ এগিয়ে মুঠোয় জমান সাব্বির রহমান। ভাঙে ৭৯ রানের জুটি।

৩৬ বলে দুই ছক্কা ও তিন চারে ৪০ রান করেন আসগর।

তাইজুলের নো বলে বাঁচলেন আসগর

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি প্রায় ভেঙে ফেলেছিলেন তাইজুল ইসলাম। তবে তার নো বলের জন্য বেঁচে যান আসগর আফগান। সে সময় ৩১ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি।

পঞ্চদশ ওভারের প্রথম বলে স্লগ করেছিলেন আসগর। টাইমিং করতে পারেননি। সীমানায় ক্যাচ মুঠোয় জমান লিটন দাস। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি ছিল ‘নো’।

সেই ওভারে একশ স্পর্শ করে আফগানিস্তানের সংগ্রহ। নিজের প্রথম ৩ ওভারে ১৬ রান দেওয়া তাইজুল শেষ ওভারে দেন ১৬ রান।

নবি-আসগরের পঞ্চাশ রানের জুটি

দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া আফগানিস্তানকে টানছেন আসগর আফগান ও মোহাম্মদ নবি। পঞ্চম উইকেটে উপহার দিয়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

৪৩ বলে ইনিংসে প্রথম অর্ধশত রানের জুটি পায় আফগানিস্তান। এর শেষ ৩০ রান আসে মাত্র ১৮ বলে।

১৩ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৯০/০। দুই ব্যাটসম্যানই ২৯ রানে ব্যাট করছেন।

পাওয়ার প্লেতে আফগানদের ৪ উইকেট

লক্ষ্যটা নাগালে রাখতে পাওয়ার প্লেতে উইকেট চেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। স্বাগতিকরা প্রথম ৬ ওভারে ফিরিয়ে দিয়েছে আফগানদের চার ব্যাটসম্যানকে।

৬ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৪১/৪। আসগর আফগান ১০ ও মোহাম্মদ নবি ১ রানে ব্যাট করছেন।

অতিরিক্ত থেকে ১৩ রান পেয়েছে সফরকারীরা। সাকিবের বলে বাই থেকে এসেছে দুটি বাউন্ডারি।

সাকিব ও সাইফ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তেড়েফুঁড়ে মারার চেষ্টায় ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। তবে দারুণ লাইন, লেংথে বোলিং করে তাদের ডানা মেলতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা।

সাকিবের দ্বিতীয় শিকার নাজিবউল্লাহ

আফগানদের জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা ভেস্তে দিলেন সাকিব আল হাসান। ফিরিয়ে দিলেন আগের ম্যাচে খুনে ব্যাটিংয়ে ফিফটি করা নাজিবউল্লাহ জাদরানকে।

বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে আর্ম বল করে যাচ্ছিলেন সাকিব। আগের বলে হজম করেছিলেন চার। তবুও সরেননি পরিকল্পনা থেকে। অমনই একটি আর্ম বল ওড়ানোর চেষ্টায় মিড অফে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন নাজিবউল্লাহ।

৬ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৪১/৪। ক্রিজে আসগর আফগানের সঙ্গী মোহাম্মদ নবি।

ছক্কার পর অক্কা নাজিব

আগের বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন নাজিব তারাকাই। তবে শেষ হাসি হাসলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। পরের বলেই আফগান টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিলেন এই পেসার।

ক্রিজে যাওয়ার পর থেকে শট খেলছিলেন নাজিব। সেভাবে টাইমিং করতে পারছিলেন না। এরই মধ্যে হাঁকান বিশাল এক ছক্কা। পরের বলে আবার একই চেষ্টা করতে গিয়ে ঠিক মতো খেলতে পারেননি। মিডউইকেট সীমানায় ক্যাচ মুঠোয় জমান সাব্বির রহমান।

১২ বলে এক ছক্কায় ১১ রান করেন নাজিব। ৩ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১৯/৩। ক্রিজে আসগর আফগানের সঙ্গী নাজিবউল্লাহ জাদরান।

প্রথম ওভারে উইকেট পেলেন সাকিবও

একটুর জন্য নিজের প্রথম বলে উইকেট পাননি সাকিব আল হাসান। তবে সাফল্যের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বাঁহাতি এই স্পিনারকে। সেই ওভারেই হজরতউল্লাহ জাজাইকে ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

সাকিবকে স্লগ করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন জাজাই। টাইমিং করতে পারেননি। মিডউইকেটে বেশ কিছুটা এগিয়ে অনেক উপরে উঠে যাওয়া ক্যাচ মুঠোয় জমান লিটন দাস।

২ বলে ১ রান করেন জাজাই। ২ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ১০/২। ক্রিজে নাজিব তারাকাইয়ের সঙ্গী আসগর আফগান।

প্রথম বলেই সাইফের আঘাত

দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বোল্ড করে ফিরিয়ে দিলেন আগের ম্যাচে ঝড় তোলা রহমানউল্লাহ গুরবাজকে।

মিডল স্টাম্পে পড়া বল পা বাড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন আফগান ওপেনার। সুইং করে বেরিয়ে যাওয়া বলের নাগাল পাননি। ব্যাটের কানা এড়িয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে।

গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পান রহমানউল্লাহ। ১ ওভারে আফগানিস্তানের স্কোর ৫/১। ক্রিজে হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের সঙ্গী নাজিব তারাকাই।

আফগানিস্তান একাদশেও নেই পরিবর্তন

বাংলাদেশের মতো আফগানিস্তানও খেলছে একই একাদশ নিয়ে। জিম্বাবুয়েকে হারানো দলটির ওপরই আস্থা রেখেছে দলটি।

আফগানিস্তান: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, হজরতউল্লাহ জাজাই, নাজিব তারাকাই, আসগর আফগান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, করিম জানাত, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, ফরিদ আহমেদ, মুজিব উর রহমান।

একই একাদশ নিয়ে বাংলাদেশ

ইয়াসিন আরফাতের চোটে শেষ মুহূর্তে আবু হায়দারকে দলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে একাদশে জায়গা হয়নি বাঁহাতি এই পেসারের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা এক্দশে কোনো পরিবর্তন আনেনি স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশ: সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, লিটস দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, তাইজুল ইসলাম, সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ