১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেয়েদের মধ্যমা আঙ্গুল দেখালেই

ভারতে মেয়েদের মধ্যমা আঙ্গুল দেখালেই শাস্তি হতে পারে শাস্তি। রাস্তা-ঘাটে বা অন্য কোথাও কোনো নারীর সঙ্গে ঝগড়া-ঝামেলা হলে এবার থেকে সাবধান! কোনোভাবেই রাগের বশে নারীদের দিকে মধ্যমা প্রদর্শন করলে হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত জেল হবে; সঙ্গে দিতে হবে জরিমানা। দিল্লিতে একটি মামলায় এমন রায় দিয়েছেন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বসুন্ধরা আজাদ।

অনেক সময় অনেক পুরুষই নারীদের সঙ্গে ঝগড়া হলে ক্ষোভের বশে নিজের হাতের মধ্যমা প্রদর্শন করে থাকেন। কিন্তু এবার থেকে আর এমন কাজ করা চলবে না। ২০১৪ সালের একটি মামলায় এমন রায় প্রদান করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট। নির্যাতিতা নারী দাবি করেছিলেন, এক ব্যক্তি ঝামেলার সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পর মধ্যমা প্রদর্শন করেছিলেন। তার পরই সেই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৯ ও ৩২৩ ধারায় মামলা দায়ের হয়।

সেই মামলা দায়েরের ১ বছর পর চার্জশিট দেয় পুলিশ। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই ব্যক্তি নির্দোষ বলে প্রমাণিত হন। নির্যাতিতা নারী এরপর দাবি করেন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি সেই ব্যক্তি তাকে চড়ও মেরেছিলেন। এমন অভিযোগের পর বিবাদ পক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, পুরো ঝামেলাটাই সম্পত্তিগত বিবাদের কারণে হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে বিচারক মধ্যমা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :

নতুন বাংলাদেশ হবে নারীদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীতার বাংলাদেশ: পুতুল

মেয়েদের মধ্যমা আঙ্গুল দেখালেই

প্রকাশিত : ০৭:২৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ভারতে মেয়েদের মধ্যমা আঙ্গুল দেখালেই শাস্তি হতে পারে শাস্তি। রাস্তা-ঘাটে বা অন্য কোথাও কোনো নারীর সঙ্গে ঝগড়া-ঝামেলা হলে এবার থেকে সাবধান! কোনোভাবেই রাগের বশে নারীদের দিকে মধ্যমা প্রদর্শন করলে হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত জেল হবে; সঙ্গে দিতে হবে জরিমানা। দিল্লিতে একটি মামলায় এমন রায় দিয়েছেন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বসুন্ধরা আজাদ।

অনেক সময় অনেক পুরুষই নারীদের সঙ্গে ঝগড়া হলে ক্ষোভের বশে নিজের হাতের মধ্যমা প্রদর্শন করে থাকেন। কিন্তু এবার থেকে আর এমন কাজ করা চলবে না। ২০১৪ সালের একটি মামলায় এমন রায় প্রদান করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট। নির্যাতিতা নারী দাবি করেছিলেন, এক ব্যক্তি ঝামেলার সময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পর মধ্যমা প্রদর্শন করেছিলেন। তার পরই সেই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৯ ও ৩২৩ ধারায় মামলা দায়ের হয়।

সেই মামলা দায়েরের ১ বছর পর চার্জশিট দেয় পুলিশ। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই ব্যক্তি নির্দোষ বলে প্রমাণিত হন। নির্যাতিতা নারী এরপর দাবি করেন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি সেই ব্যক্তি তাকে চড়ও মেরেছিলেন। এমন অভিযোগের পর বিবাদ পক্ষের আইনজীবী দাবি করেন, পুরো ঝামেলাটাই সম্পত্তিগত বিবাদের কারণে হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে বিচারক মধ্যমা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ