০১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কেনিয়ায় শ্রেণিকক্ষ ধসে নিহত ৭ আহত ৫৭

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে একটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ধসে সাত শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে অন্তত আরো ৫৭ জন।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় ক্লাশ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট পরই প্রিসিয়াস ট্যালেন্ট টপ স্কুলের কাঠের কাঠামো ধসে পড়ে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কেনিয়া সরকারের মুখপাত্র সাইরাস ওগুনা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সাত শিশু নিহত হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫৭ জন শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা রেডক্রসের কেনিয়া শাখার জনসংযোগ ও যোগাযোগ বিষয়ক ব্যবস্থাপক পিটার আবো বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যা জানতে পেরেছি তাতে সাত শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৫৭ জন।’

কেনিয়া রেডক্রস জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, ভবনের ভেতরে এখনো অনেকে আটকা রয়েছে।

আবো বলেন, ‘যখন ভবন ধসের ঘটনা ঘটে তখন উপর তলাতেও অনেক শিক্ষার্থী ছিল। আমরা সব শিক্ষার্থীকে নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করছি।’

তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ওই স্কুলটিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৮০০ জন। যাদের বয়স ১৪ বছরের কম।

স্থানীয় আইনপ্রণেতা জন কিয়ারি এনটিভি কেনিয়াকে জানিয়েছেন, স্কুল ভবনের প্রথম তলা ধসে পড়েছে, শিশুরা ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছে।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ছবিতে উদ্ধারকর্মীদের ধাতুর শিট ও কংক্রিটের স্ল্যাব সরিয়ে মৃতদেহ ভরা সাদা ব্যাগসহ অ্যাম্বুলেন্সের দিকে যেতে দেখা গেছে।

ঠিক কী কারণে ভবন ধসের ঘটনাটি ঘটলো তা এখনো জানা যায়নি। তবে স্কুলটির চিকিৎসক মোজেস নদিরাঙ্গু শ্রেণিকক্ষ ধসে পড়ার জন্য নিকটবর্তী একটি সুয়ারেজ পাইপকে দায়ী করেছেন, সেটি ভবনটির ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল বলে মনে করছেন তিনি।

সম্প্রতি দেশটির কর্তৃপক্ষ রাজধানী নাইরোবিতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে বলে জানিয়েছিলো যেগুলো কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে ভারী বৃষ্টিপাতের পর নাইরোবিতে ছয়তলা একটি ভবন ধসে ৫১ জন নিহত হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :

ভোটের দিন চলবে বাড়তি মেট্রো ট্রেন

কেনিয়ায় শ্রেণিকক্ষ ধসে নিহত ৭ আহত ৫৭

প্রকাশিত : ০৮:৩০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে একটি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ধসে সাত শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে অন্তত আরো ৫৭ জন।

সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় ক্লাশ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট পরই প্রিসিয়াস ট্যালেন্ট টপ স্কুলের কাঠের কাঠামো ধসে পড়ে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

কেনিয়া সরকারের মুখপাত্র সাইরাস ওগুনা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সাত শিশু নিহত হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫৭ জন শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা রেডক্রসের কেনিয়া শাখার জনসংযোগ ও যোগাযোগ বিষয়ক ব্যবস্থাপক পিটার আবো বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যা জানতে পেরেছি তাতে সাত শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৫৭ জন।’

কেনিয়া রেডক্রস জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জানা গেছে, ভবনের ভেতরে এখনো অনেকে আটকা রয়েছে।

আবো বলেন, ‘যখন ভবন ধসের ঘটনা ঘটে তখন উপর তলাতেও অনেক শিক্ষার্থী ছিল। আমরা সব শিক্ষার্থীকে নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করছি।’

তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ওই স্কুলটিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৮০০ জন। যাদের বয়স ১৪ বছরের কম।

স্থানীয় আইনপ্রণেতা জন কিয়ারি এনটিভি কেনিয়াকে জানিয়েছেন, স্কুল ভবনের প্রথম তলা ধসে পড়েছে, শিশুরা ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছে।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ছবিতে উদ্ধারকর্মীদের ধাতুর শিট ও কংক্রিটের স্ল্যাব সরিয়ে মৃতদেহ ভরা সাদা ব্যাগসহ অ্যাম্বুলেন্সের দিকে যেতে দেখা গেছে।

ঠিক কী কারণে ভবন ধসের ঘটনাটি ঘটলো তা এখনো জানা যায়নি। তবে স্কুলটির চিকিৎসক মোজেস নদিরাঙ্গু শ্রেণিকক্ষ ধসে পড়ার জন্য নিকটবর্তী একটি সুয়ারেজ পাইপকে দায়ী করেছেন, সেটি ভবনটির ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছিল বলে মনে করছেন তিনি।

সম্প্রতি দেশটির কর্তৃপক্ষ রাজধানী নাইরোবিতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে বলে জানিয়েছিলো যেগুলো কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে ভারী বৃষ্টিপাতের পর নাইরোবিতে ছয়তলা একটি ভবন ধসে ৫১ জন নিহত হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান