০১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অবরুদ্ধ কাশ্মীরিদের জন্য দোয়া করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পবিত্র কাবা শরিফে ওমরাহ হজ পালনকালে অবরুদ্ধ কাশ্মীরের নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন। করেন। এসময় পাক সরকারের একটি প্রতিনিধি দলও তার সঙ্গে ছিল।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যগুলো জানায়, পবিত্র কাবা শরিফের দরজা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধি দলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ইমরান তার সঙ্গীদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি কাশ্মীর ও গোটা বিশ্বের মুসলিম সমাজের জন্য দোয়া করেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বৃহস্পতিবার ওমরাহ পালন ছাড়াও শুক্রবার মক্কার পবিত্র মসজিদ আল হারামে জুমার নামাজ আদায় করেন। শুক্রবার বিকেলে মক্কা থেকে মদিনায় যান। সেখানে রোজা ই রাসূলে সম্মান জানান তিনি।

পরে তিনি সৌদি যুবরাজের নিজস্ব বিমানে করে ট্রাম্পের দেশে গেছেন।

সৌদি থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ধরে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চেয়েছিলেন ইমরান খান। কিন্তু তাতে আপত্তি তোলেন যুবরাজ বিন সালমান। যুবরাজ বলেন, ‘আপনি আমাদের বিশেষ অতিথি এবং আপনি অবশ্যই আমার বিশেষ বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন।’

মোদি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে নানাভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন ইমরান খান। তিনি নিজেকে কাশ্মীরি জনগণের দূত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জোড়ালোভাবে কাশ্মীর ইস্যু তুলবেন বলেও জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট অকস্মাৎ কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দানকারী ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারাটি তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় মোদি সরকার। এরপর থেকে সেখানে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

অনেক এলাকায় এখনও বলবৎ আছে কারফিউ। আটক করা হয়েছে হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাদের।

বিচ্ছিন্ন রয়েছে টেলিফোন ও ইন্টারনেট যোগাযোগ। বিদেশি তো দূরের কথা, ভারতের অন্য রাজ্য থেকেও কোনো সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী বা বিরোধী দলীয় নেতাদের সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

কেবল ক্ষতাসীন দল বিজেপির নেতা কর্মীদের সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে, যারা কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করার কথা জানিয়ে সেখানে নানা পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করছেন।

এ অবস্থায় দিন কয়েক আগে কাশ্মীরের নিরীহ গ্রামবাসীদের ভারতীয় সেনাদের ওপর নির্মম নির্যাতনের খবর ছাপা হয়েছে খোদ ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোতেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :

ভোটের দিন চলবে বাড়তি মেট্রো ট্রেন

অবরুদ্ধ কাশ্মীরিদের জন্য দোয়া করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১:৪১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পবিত্র কাবা শরিফে ওমরাহ হজ পালনকালে অবরুদ্ধ কাশ্মীরের নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন। করেন। এসময় পাক সরকারের একটি প্রতিনিধি দলও তার সঙ্গে ছিল।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যগুলো জানায়, পবিত্র কাবা শরিফের দরজা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধি দলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ইমরান তার সঙ্গীদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি কাশ্মীর ও গোটা বিশ্বের মুসলিম সমাজের জন্য দোয়া করেন।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বৃহস্পতিবার ওমরাহ পালন ছাড়াও শুক্রবার মক্কার পবিত্র মসজিদ আল হারামে জুমার নামাজ আদায় করেন। শুক্রবার বিকেলে মক্কা থেকে মদিনায় যান। সেখানে রোজা ই রাসূলে সম্মান জানান তিনি।

পরে তিনি সৌদি যুবরাজের নিজস্ব বিমানে করে ট্রাম্পের দেশে গেছেন।

সৌদি থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ধরে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চেয়েছিলেন ইমরান খান। কিন্তু তাতে আপত্তি তোলেন যুবরাজ বিন সালমান। যুবরাজ বলেন, ‘আপনি আমাদের বিশেষ অতিথি এবং আপনি অবশ্যই আমার বিশেষ বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন।’

মোদি সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে নানাভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন ইমরান খান। তিনি নিজেকে কাশ্মীরি জনগণের দূত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে জোড়ালোভাবে কাশ্মীর ইস্যু তুলবেন বলেও জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট অকস্মাৎ কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দানকারী ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারাটি তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় মোদি সরকার। এরপর থেকে সেখানে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

অনেক এলাকায় এখনও বলবৎ আছে কারফিউ। আটক করা হয়েছে হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাদের।

বিচ্ছিন্ন রয়েছে টেলিফোন ও ইন্টারনেট যোগাযোগ। বিদেশি তো দূরের কথা, ভারতের অন্য রাজ্য থেকেও কোনো সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী বা বিরোধী দলীয় নেতাদের সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

কেবল ক্ষতাসীন দল বিজেপির নেতা কর্মীদের সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে, যারা কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করার কথা জানিয়ে সেখানে নানা পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করছেন।

এ অবস্থায় দিন কয়েক আগে কাশ্মীরের নিরীহ গ্রামবাসীদের ভারতীয় সেনাদের ওপর নির্মম নির্যাতনের খবর ছাপা হয়েছে খোদ ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোতেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান