২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জন নিরস্ত্র মানুষ হত্যার রায় হবে আজ। আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চক্রান্তে লিপ্ত হয় বিপথগামী বিডিআর জওয়ানরা।
রবিবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চে মামলাটির রায় পড়া শুরু হয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।
জনাকীর্ণ আদালতে বেঞ্চের নেতৃত্বদানকারী বিচারপতি মো. শওকত হোসেন প্রথমে রায় পড়া শুরু করেন। তার অল্প কিছু পর্যবেক্ষণ দেয়ার পরই বেঞ্চের অপর সদস্য বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী তার পর্যবেক্ষণ দেয়া শুরু করেন।
দুপুর ১টায় মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের আদালত বলেন, এ রায়ের পর্যবেক্ষণই এক হাজার পৃষ্ঠার ওপরে। যে ভিত্তিতে রায় দেয়া হচ্ছে, তাও মৌখিকভাবে উপস্থাপন করা হবে।
সোমবার রায়ের পর্যবেক্ষণ পড়া শেষ করে দুপুরের দিকে মূল আদেশের অংশ পড়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিন সদস্যের এই বৃহত্তর বেঞ্চের প্রিজাইডিং জাজ বিচারপতি মো. শওকত হোসেন।
হাই কোর্টের বিশেষ এই বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।
আসামি সংখ্যার দিক দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ মামলার রায় তারা পড়া শুরু করেন রবিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে। মাঝখানে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে প্রথম দিন বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী তার হাজার পৃষ্ঠার পর্যবেক্ষণের সংক্ষিপ্তসার পড়ে শোনান।
বিকাল ৪টায় বিচারপতি মো. শওকত হোসেন বলেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী তার রায়ের অংশ পড়া শেষ করেছেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় আবার আদালত বসবে এবং বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার তার পর্যবেক্ষণ সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরবেন


























