১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শূন্য হাতে ফিরছেন সাইফরা

১০ দিনের ভারত সফর শেষে ২৮সেপ্টেম্বর ফিরছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। লক্ষ্ণৌতে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ হেরেছে ৩-১ ব্যবধানে। ভারত থেকে বাংলাদেশের উদীয়মানরা ফিরছেন শূন্য হাতেই।

ভারতীয়দের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের এ ব্যর্থতা কেন? পুরো সিরিজে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে বাজে ব্যাটিং। ১ ফিফটিতে ২৭.৫০ গড়ে সর্বোচ্চ ১১০ রান করেছেন অধিনায়ক সাইফ হাসান। আরিফুল করেছেন ৩৫ গড়ে ১০৫ রান।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা একটু উজ্জ্বল উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম, দুই ফিফটিতে ১০১ গড়ে করেছেন ১০১ রান। রানসংখ্যায় বাকিরা কেউ পঞ্চাশের ঘর ছাড়াতে পারেননি।

দলের সঙ্গে থাকা বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার স্বাভাবিকভাবেই কাঠগড়ায় তুললেন ব্যাটসম্যানদের, ‘সিরিজটা ৩-১ ব্যবধানে হেরেছি। তবে ফল উল্টোও হতে পারত। হারা ম্যাচগুলোর প্রায় সবগুলোতেই জয়ের সম্ভাবনা ছিল।

টপ অর্ডার ব্যর্থতায় আমরা পারিনি। শুধু একটা ম্যাচে ভালো করেছে টপ অর্ডার, সেটিতে আমরা জিতেছি।’

টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পেছনে মূল কারণ, ভারতে রওনা দেওয়ার আগে হুট করে চারটা পরিবর্তন আনতে হয়েছে দলে।

এই সিরিজে খেলার কথা ছিল নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন, নাঈম শেখ ও আমিনুল ইসলামের। চারজনই ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝপথে জায়গা পান বাংলাদেশ দলে।

সফরের আগ মুহূর্তে দলে হঠাৎ যাঁরা সুযোগ পেয়েছিলেন, তাঁরাও কাজে লাগাতে পারেননি এই সিরিজে।

এতে হাবিবুল একটা ভালো বার্তাও পেয়েছেন, ‘(নাজমুল) শান্ত, আফিফ, নাঈম, (আমিনুল) বিপ্লব জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ওদের ছাড়া আসতে হলো। তবে এ সুযোগ অন্যদের দেখার সুযোগ হয়েছিল।

এই সিরিজের মাধ্যমে বুঝতে পারলাম (হাইপারফরম্যান্স) এইচপি দলে গত এক বছর যারা ছিল, তাদের মধ্যে কাদের পেছনে বিনিয়োগ করা যাবে, কাদের পেছনে করা যাবে না। খুব বেশি খেলোয়াড় মুগ্ধ করেনি। তবে শফিকুল-ফারদিনের মতো কয়েকজনকে মনে হয়েছে সম্ভাবনা আছে।’

ব্যাটসম্যানরা ভালো করতে পারেননি। বোলাররাও যে দুর্দান্ত করেছেন, তা নয়। উইকেটশিকারে খুব একটা এগিয়ে না থাকলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অবশ্য ভারতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ব্যাটসম্যান ভালোই পরীক্ষা নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন আবু হায়দার ও মেহেদী হাসান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শূন্য হাতে ফিরছেন সাইফরা

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

১০ দিনের ভারত সফর শেষে ২৮সেপ্টেম্বর ফিরছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। লক্ষ্ণৌতে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ হেরেছে ৩-১ ব্যবধানে। ভারত থেকে বাংলাদেশের উদীয়মানরা ফিরছেন শূন্য হাতেই।

ভারতীয়দের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের এ ব্যর্থতা কেন? পুরো সিরিজে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছে বাজে ব্যাটিং। ১ ফিফটিতে ২৭.৫০ গড়ে সর্বোচ্চ ১১০ রান করেছেন অধিনায়ক সাইফ হাসান। আরিফুল করেছেন ৩৫ গড়ে ১০৫ রান।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা একটু উজ্জ্বল উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম, দুই ফিফটিতে ১০১ গড়ে করেছেন ১০১ রান। রানসংখ্যায় বাকিরা কেউ পঞ্চাশের ঘর ছাড়াতে পারেননি।

দলের সঙ্গে থাকা বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার স্বাভাবিকভাবেই কাঠগড়ায় তুললেন ব্যাটসম্যানদের, ‘সিরিজটা ৩-১ ব্যবধানে হেরেছি। তবে ফল উল্টোও হতে পারত। হারা ম্যাচগুলোর প্রায় সবগুলোতেই জয়ের সম্ভাবনা ছিল।

টপ অর্ডার ব্যর্থতায় আমরা পারিনি। শুধু একটা ম্যাচে ভালো করেছে টপ অর্ডার, সেটিতে আমরা জিতেছি।’

টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পেছনে মূল কারণ, ভারতে রওনা দেওয়ার আগে হুট করে চারটা পরিবর্তন আনতে হয়েছে দলে।

এই সিরিজে খেলার কথা ছিল নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন, নাঈম শেখ ও আমিনুল ইসলামের। চারজনই ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝপথে জায়গা পান বাংলাদেশ দলে।

সফরের আগ মুহূর্তে দলে হঠাৎ যাঁরা সুযোগ পেয়েছিলেন, তাঁরাও কাজে লাগাতে পারেননি এই সিরিজে।

এতে হাবিবুল একটা ভালো বার্তাও পেয়েছেন, ‘(নাজমুল) শান্ত, আফিফ, নাঈম, (আমিনুল) বিপ্লব জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ওদের ছাড়া আসতে হলো। তবে এ সুযোগ অন্যদের দেখার সুযোগ হয়েছিল।

এই সিরিজের মাধ্যমে বুঝতে পারলাম (হাইপারফরম্যান্স) এইচপি দলে গত এক বছর যারা ছিল, তাদের মধ্যে কাদের পেছনে বিনিয়োগ করা যাবে, কাদের পেছনে করা যাবে না। খুব বেশি খেলোয়াড় মুগ্ধ করেনি। তবে শফিকুল-ফারদিনের মতো কয়েকজনকে মনে হয়েছে সম্ভাবনা আছে।’

ব্যাটসম্যানরা ভালো করতে পারেননি। বোলাররাও যে দুর্দান্ত করেছেন, তা নয়। উইকেটশিকারে খুব একটা এগিয়ে না থাকলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অবশ্য ভারতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ব্যাটসম্যান ভালোই পরীক্ষা নিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন আবু হায়দার ও মেহেদী হাসান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান