ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে দুই ধাপ ওপরে ভুটান। তবে মাঠের লড়াইয়ে তার প্রভাব নেই। পাহাড়ি দেশটি ইতিহাসে একবার মাত্র হারাতে পেরেছে বাংলাদেশকে।
সর্বশেষ সাক্ষাতে তো রীতিমতো ভরাডুবি দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির। বাংলাদেশ গুনেগুনে চার গোল দিয়েছে তাদের জালে।
প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারার পর ভুটান ঘুরে দাঁড়াতে চায়। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে ফিরতে চায় দেশে।
০২ সেপ্টেম্বর বুধবার কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরুর আগে ভুটানের কোচ পেমা বলেছেন, ‘এই ম্যাচটি আমাদের জন্য মান রক্ষার। অবশ্যই ম্যাচটি জিততে চাই। প্রথমটি হেরেছি, তাই এখন এই ম্যাচ জয়ের জন্যই খেলব আমরা। ’
ভুটান কোচ অবশ্য আবাহওয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ, আগের ম্যাচে কাদা মাঠে তারা স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেনি বলে কোচের দাবি। ‘যদি আগামীকাল বৃষ্টি না হয়, মাঠ ভালো থাকে, আমি মনে করি তাহলে ম্যাচটি ভিন্নরকম হবে। বাংলাদেশ ভাল দল, তবে আমরাও খারাপ নই’- বলেছেন ভুটান কোচ।
বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডদের কোয়ালিটির প্রশংসা করে পেমা বলেন, ‘বাংলাদেশের ফরোযার্ডরা ভাল। তবে মাঝমাঠে আমি জামালকে হুমকি মনে করি।
বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় সে। সে সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশ যে গোলগুলো করেছে, তার অন্যতম কারিগর জামাল।’
ভুটানের অধিনায়ক চেনচো গেলশেন বলেছেন, ‘যদি আবহাওয়া ভাল থাকে, তাহলে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলে বাংলাদেশকে হারাতে পারব। বাংলাদেশ ফরোয়ার্ডরা ইয়াং এবং তারা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে প্রথম ম্যাচে।
অবশ্যই ওই ম্যাচে আমাদের ডিফেন্ডাররাও সেরাটা খেলতে পারেনি। কারণ মাঠের অবস্থা ভাল ছিল না। এরকম কন্ডিশনে আমরা খেলতে অভ্যস্ত নই।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান
























