০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বইমেলা। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই বইমেলার এবার ৭১তম আয়োজন।

মেলা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর প্রায় ১০৪টি দেশ থেকে ৭,৪৫০ প্রকাশক আর প্রকাশনা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায়।

পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় বিভিন্ন দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং বই ব্যবসার সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে চার হাজারেরও বেশি সেমিনার।

২০১৫ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ।

এ বছর মেলায় বাংলাদেশ স্টল উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রি কে এম খালেদ এম পি। ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে অংশগ্রহন করেছেন সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রলায়ের সচিব ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ও জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজিসহ আরো অনেক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসাইন ছোটন, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহসভাপতি খান মাহবুবুল আলম, অমিকন পাবলিশিং এর এহসান মাহবুব প্রমুখ।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রি কে এম খালেদ এম পি জানান, আগামী বছর জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলায় অংশগ্রহণ করবে।

এছাড়াও জাতীর পিতার জীবন ও কর্ম বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার লক্ষে সরকার ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলাকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখছে।

বাংলাদেশ থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা জানান, বাংলাদেশের সাহিত্য–সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার মাধ্যমে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের যোগসূত্র স্থাপিত হয়।

মেলা চলবে ১৪ অক্টোবর রোববার পর্যন্ত। শনিবার ও রোববার এই মেলা সাধারণ দর্শকদের জন্য খুলে দেয়া হয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলাকে ঘিরে জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও মনে করছেন ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বেশি পরিচিতি পাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

বিশ্বের সর্ববৃহৎ বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

প্রকাশিত : ০৫:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ফ্রাঙ্কফুর্ট আন্তর্জাতিক বইমেলা। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই বইমেলার এবার ৭১তম আয়োজন।

মেলা কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর প্রায় ১০৪টি দেশ থেকে ৭,৪৫০ প্রকাশক আর প্রকাশনা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায়।

পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় বিভিন্ন দেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং বই ব্যবসার সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে চার হাজারেরও বেশি সেমিনার।

২০১৫ সাল থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ।

এ বছর মেলায় বাংলাদেশ স্টল উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রি কে এম খালেদ এম পি। ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে অংশগ্রহন করেছেন সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রলায়ের সচিব ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ও জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজিসহ আরো অনেক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসাইন ছোটন, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহসভাপতি খান মাহবুবুল আলম, অমিকন পাবলিশিং এর এহসান মাহবুব প্রমুখ।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রি কে এম খালেদ এম পি জানান, আগামী বছর জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলায় অংশগ্রহণ করবে।

এছাড়াও জাতীর পিতার জীবন ও কর্ম বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার লক্ষে সরকার ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলাকে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখছে।

বাংলাদেশ থেকে আসা অংশগ্রহণকারীরা জানান, বাংলাদেশের সাহিত্য–সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার মাধ্যমে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের যোগসূত্র স্থাপিত হয়।

মেলা চলবে ১৪ অক্টোবর রোববার পর্যন্ত। শনিবার ও রোববার এই মেলা সাধারণ দর্শকদের জন্য খুলে দেয়া হয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলাকে ঘিরে জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও মনে করছেন ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বেশি পরিচিতি পাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান