০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

৪০তলা বিশিষ্ট আইসিবি’র নিজস্ব ভবন নির্মাণ হচ্ছে

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) জন্য ৪০তলা ভবন নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ ভবন নির্মাণে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র বলছে, ৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোট অর্থের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু খরচ হয়েছে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ।

দ্বিতীয় তিন মাসে খরচ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বরাদ্দকৃত মোট অর্থের ১০ শতাংশ। এর পরের তিন মাসে ২৫ শতাংশ এবং বাকি ৩ মাসে ৬০ শতাংশ।

প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, ভবনের ফাউন্ডেশন ডিজাইনের জন্য গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভে মনিটরিং কাজ চলছে। প্রকল্পের সাইট অফিস নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পের লোকবলের ব্যবহারের জন্য আসবাবপত্র ও কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিটিআরসি-বুয়েট কর্তৃক ভবনের পাইলিং এর ডিজাইন, স্পেসিফিকেশন ও বিওকিউ’র ভেটিং কাজ চলমান রয়েছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে দ্রুত দরপত্র আহ্বান করা হবে।

উল্লেখ্য, আইসিবি, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (১৯৭৬ সালের ৪০নং)-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।

এটি একাধারে একটি বিনিয়োগ ও মার্চেন্ট ব্যাংক। দেশের শিল্পায়নের গতিকে বেগবান, সুসংহত এবং সিকিউরিটিজ মার্কেটকে সমৃদ্ধ করতে আইসিবি প্রতিষ্ঠা করা হয়। কোম্পানির মূলধন স্বল্পতা পূরণে আইসিবি সহায়তা প্রদান করে।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগ নীতিমালার আলোকে স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইসিবির ভূমিকা রয়েছে। আইসিবি প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ২ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত মোট ২০০ মিলিয়ন টাকা অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন ১০০০ মিলিয়নে দাঁড়ায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৪০তলা বিশিষ্ট আইসিবি’র নিজস্ব ভবন নির্মাণ হচ্ছে

প্রকাশিত : ১২:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) জন্য ৪০তলা ভবন নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ ভবন নির্মাণে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। এ অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র বলছে, ৩১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল মোট অর্থের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু খরচ হয়েছে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ।

দ্বিতীয় তিন মাসে খরচ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বরাদ্দকৃত মোট অর্থের ১০ শতাংশ। এর পরের তিন মাসে ২৫ শতাংশ এবং বাকি ৩ মাসে ৬০ শতাংশ।

প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ জানিয়েছে, ভবনের ফাউন্ডেশন ডিজাইনের জন্য গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভে মনিটরিং কাজ চলছে। প্রকল্পের সাইট অফিস নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পের লোকবলের ব্যবহারের জন্য আসবাবপত্র ও কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিটিআরসি-বুয়েট কর্তৃক ভবনের পাইলিং এর ডিজাইন, স্পেসিফিকেশন ও বিওকিউ’র ভেটিং কাজ চলমান রয়েছে। এ কাজ সম্পন্ন হলে দ্রুত দরপত্র আহ্বান করা হবে।

উল্লেখ্য, আইসিবি, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (১৯৭৬ সালের ৪০নং)-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।

এটি একাধারে একটি বিনিয়োগ ও মার্চেন্ট ব্যাংক। দেশের শিল্পায়নের গতিকে বেগবান, সুসংহত এবং সিকিউরিটিজ মার্কেটকে সমৃদ্ধ করতে আইসিবি প্রতিষ্ঠা করা হয়। কোম্পানির মূলধন স্বল্পতা পূরণে আইসিবি সহায়তা প্রদান করে।

সঞ্চয় ও বিনিয়োগ নীতিমালার আলোকে স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইসিবির ভূমিকা রয়েছে। আইসিবি প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ২ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত মোট ২০০ মিলিয়ন টাকা অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন ১০০০ মিলিয়নে দাঁড়ায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান