থাইল্যান্ড রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভূমিকা রাখার ও এ সঙ্কটের টেকসই সমাধানের উপায় বের করতে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশে নবনিযুক্ত থাই রাষ্ট্রদূত অরুণরুং ফোতোং হামফ্রেজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দেখা করতে এসে এ আশ্বাস দেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জনানো হয়।
থাই রাষ্ট্রদূত বলেন, আসিয়ানের বিদায়ী সভাপতি হিসেবে থাইল্যান্ড রোহিঙ্গা সঙ্কট ও এর টেকসই সমাধান বের করার বিষয়টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিচ্ছে।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন ঢাকায় তার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানান ও দায়িত্ব পালনে তাকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য থাইল্যান্ডের পক্ষেই রয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে ৪ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে থাইল্যান্ড বিনিয়োগ করলে দু’দেশের মধ্যে যে ব্যাপক বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে তা হ্রাস করা সম্ভব। বাংলাদেশে বিনিয়োগে মুনাফা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ দেশে থাইল্যান্ডের উদ্যোক্তারা যৌথ-মালিকানায় হাসপাতাল স্থাপন করলে দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে বলে জানান।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশে পর্যটনের ওপর প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সক্ষমতা গঠন কর্মসূচি আয়োজনের জন্য থাই রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।
থাই রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে তার মিশন থেকে এরইমধ্যেই ব্যাংককে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
একইসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন খাতে থাইল্যান্ডের কারিগরি সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে আশ্বাস দেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান























